আব্রাহামের কথা চিন্তা করে হলেও এ ধরণের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসা উচিৎ : শাবনূর

বিনোদন ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর: সারাদেশে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে তারকা দম্পতি শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়। বিষয়টি চলচ্চিত্রাঙ্গনে যেমন ঝড় তুলেছে, তেমনি বিভিন্ন মহলেও আলোচিত হচ্ছে। নানাজন নানারকম মন্তব্য করছেন। সাধারণ মানুষের মতো বিষয়টি নিয়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রের চিত্রনায়িকা শাবনূরও মর্মাহত হয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে শাবনূর সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘শাকিব-অপু সিনেমার মতো বাস্তবেও জুটি বেঁধেছে। এটা আমাদের সবার কাছেই ভালো লাগছিল। এখন শুনছি তাদের সংসারে ভাঙন ধরেছে, সেটা শুনেও আমাদের খারাপ লাগছে। তা ছাড়া ওদের ঘরে একটা ফুটফুটে সন্তান রয়েছে। আব্রাহামের মতো সন্তান থাকতে আর কিসের সমস্যা থাকে? ওদের মধ্যে কোনো সমস্যা বা ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা নিজেদেরই সমাধান করে ফেলা উচিৎ। ওদের সন্তানের কথা চিন্তা করে হলেও এ ধরণের সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসা উচিৎ।’

ঢাকাই চলচ্চিত্রের তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। কয়েকদিন আগে শাকিব খান অপু বিশ্বাসের কাছে ডিভোর্স লেটার পাঠান কিন্তু গত মঙ্গলবার অপু ডিভোর্স লেটারটি হাতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

দীর্ঘ আট বছর গোপনে সংসার করার পর অপুর কোলজুড়ে আসে পুত্র আব্রাহাম খান জয়। প্রায় বছর খানেক আগে অপু বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমে তাদের বিয়ের খবর জানান। এরপর থেকেই শাকিব-অপুর সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছিল না।

দীর্ঘ নয় বছরের সংসারে ভাঙন ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়ে যা জানালেন অপু বিশ্বাস

প্রকাশঃ ০৬-১২-২০১৭, ৭:৩১ অপরাহ্ণ

বিনোদন ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর: দীর্ঘ নয় বছরের সংসারে ভাঙন স্বামী শাকিব খানের একরোখা সিদ্ধান্তেই হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অপু বিশ্বাস। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তাও কামনা করেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে অপু বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চাইছি। কারণ ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার পর আজ আমাকে শাকিব তালাক দিতে চাইছে। আমি এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। আমার সম্প্রদায় তো এখন আমাকে আর স্বাভাবিকভাবে মেনে নেবে না।

অপু বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সহনশীল ও সুবিবেচনাপ্রসূত মনের মানুষ। তার সহমর্মিতা অতুলনীয়। আমি দেশের একজন প্রথম শ্রেণির নাগরিক। শাকিবের একরোখা সিদ্ধান্তে আমার জীবন এখন বিপন্ন। প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপই এই দুর্বিষহ অবস্থা থেকে আমাকে মুক্ত করতে পারে।

মানবাধিকার ও নারী সংগঠনগুলোকেও পাশে চান অপু। তিনি বলেন, সেলিব্রেটি হলেও আমার সামাজিক মর্যাদা রয়েছে। ডিভোর্সের মতো একটি ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত কখনো মেনে নেওয়া যায় না। অপুর কথায়, সংসারে ঝগড়া, ঝামেলা থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। শাকিবের সিদ্ধান্ত মেনে নিতাম যদি একই ধর্মের হতাম। আমাকে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে, বিয়ে করেছে। তাই তার এই অমানবিক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেব না।

শাকিবের সঙ্গে ডিভোর্স প্রসঙ্গে অপুকে যে পরামর্শ দিলেন তসলিমা

প্রকাশঃ ০৬-১২-২০১৭, ৬:২০ অপরাহ্ণ

বিনোদন ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর: শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার অবশেষে ভেঙেই যাচ্ছে। অপুকে ডিভোর্সের নোটিশ পাঠিয়েছেন শাকিব। যা কার্যকর হতে সময় লাগবে ৩ মাস। অবশ্য অপুর বক্তব্য অনুসারে তিনি এখনও নোটিশ পাননি। এমনকি তিনি এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ বলেও জানিয়েছেন একাধিক গণমাধ্যমে।

এদিকে শাকিব-অপুর সংসার ভাঙনের খবরে চারদিকে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে নিজ নিজ মত দিচ্ছেন। সেই কাতারে সামিল হলেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি শাকিব-অপুর সংসারের সমাপ্তি নিয়ে কথা বলেছেন।

তসলিমা নাসরিন লেখেন, বাংলাদেশের ছবির হিরো শাকিব তালাক দিচ্ছে বাংলাদেশের ছবির হিরোইন অপু বিশ্বাসকে। অপুর দোষ, অপু তার স্বামীর নির্দেশ পালন করেনি, তার কথা শোনেনি। শাকিবকে ভালোবেসে অপু নিজের ধর্ম ছেড়ে শাকিবের ধর্ম গ্রহণ করেছে। শাকিবের বাড়িতে ঝি-চাকরের মতো কাজকর্ম করেছে। শাকিব বিয়ের ব্যাপারটা লুকিয়ে রাখতে বলেছে বলে লুকিয়ে রেখেছে। বাচ্চা হওয়ার খবরটাও লুকিয়ে রাখতে বলেছে বলে দীর্ঘকাল লুকিয়ে রেখেছে। বাচ্চা হওয়ার সময় শাকিব হাসপাতালে যায়নি তারপরও শাকিবের জন্য অপুর ভালোবাসা কিছু কমেনি। এখন বাচ্চা কোলে মেয়েটি পাচ্ছে তালাকনামা। শাকিবের মতো আত্মম্ভরী পুরুষতান্ত্রিকের সঙ্গে তালাক হয়ে যাওয়া অবশ্য ভালো। স্বনির্ভর মেয়ে নিজের দেখভাল নিজেই করতে পারে।

তিনি আরও লেখেন, শাকিবের জন্য কান্নাকাটি হাহুতাশ বন্ধ করতে হবে অপুকে। আপাতত অপু বিশ্বাসের কোনও পুরুষকে বিশ্বাস করা উচিত নয়। হজ্ব করাও উচিত নয়। মানুষের পায়ের তলায় পিষ্ট হয়ে মরে যাওয়ার আশংকা ছাড়া ওতে সত্যিকার কোনও ফায়দা নেই। অপুকে এখন নিজের পায়ের তলার মাটি যেমন আরো শক্ত করতে হবে। মনের ভেতরের মাটিও আরও শক্তত করতে হবে। পায়ের তলার মাটি, মনের ভেতরের মাটি, দুটোই এমন নরম যে, যে কেউ তাদের ডুবিয়ে দিতে পারে কাদায়। যে কেউ আবার তাদের মনেও অনায়াসে ডুবে যেতে পারে।

সিদ্ধান্তে অনড় শাকিব! আকস্মিক ধাক্কার ঘোর কাটাতে ‘একটু সময় দেবার’ অনুরোধ অপুর

প্রকাশঃ ০৬-১২-২০১৭, ১:৪৫ অপরাহ্ণ

বিনোদন আপডেট ডেস্ক- শাকিবের কাছে থেকে পাওয়া কোনটা ‘ভালোবাসা ‘ আর কোনটা প্রতারনা’ সেসবের হিসেব নিকেশ মিলিয়ে অবিশ্বাসের ঘোর কাটাতে সময় চান অপু বিশ্বাস !

শাকিবের ঘনিষ্ঠ জনেরা দাবি করছেন, অপু শাকিবকে স্বামী হিসেবে দাবি করলেও স্বামীর প্রতি স্ত্রীর যে দায়িত্ব তা কখনোই পালন করেনি তিনি। কোনো বিষয়ে স্বামীর অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজনও মনে করেনি অপু। উল্টো টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে শাকিবের বিরুদ্ধে কথা বলার অভিযোগও রয়েছে।

কিন্তু শাকিবের বিরুদ্ধে কথা বলার অভিযোগ থাকলেও বাস্তবে অপু সব সময়ই শাকিবের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। এমনটাই দেখা গেছে সাম্প্রতিক সময়ে ।

ভারতের হায়দরাবাদের রামুজি ফিল্ম সিটিতে এখন রাশেদ রাহা পরিচালিত ‘নোলক’ ছবির শুটিং করছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। সেখানে যাওয়ার আগে গত ২২ নভেম্বর অপু বিশ্বাসকে পাঠানো তালাকের নোটিশে তিনি স্বাক্ষর করেন। গত সোমবার রাতে হায়দরাবাদ থেকে মুঠোফোনে শাকিব খান জানান, ‘আমি স্বাক্ষর করে দিয়ে এসেছি। এখন থেকে এ বিষয়ে যা কিছু বলার, আমার আইনজীবী বলবেন। আমি এখন শুটিং নিয়ে ব্যস্ত আছি। এরই মধ্যে নতুন কয়েকটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। প্রযোজক আর পরিচালকদের এই কাজগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করে দিতে চাই।’

ছেলে আব্রাম খান জয় প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, ‘সে তো আমারই সন্তান। আমার সন্তানের ভালোর জন্য যা যা করার দরকার, আমি অবশ্যই তা করব।’

ভালোবাসার টানে ধর্ম পাল্টালেও নিজের নাম পাল্টাননি অপু। এখনও পর্যন্ত তার নাম ‘অপু বিশ্বাস’ রেখেছেন বিভিন্ন স্থানে। যদিও বিয়ের সময় ধর্ম পাল্টে মুসলমান হিসেবে তার নাম রাখা হয়েছে ‘অপু ইসলাম খান’।
এমন জগাখিচুড়ির পেছনে কারন হিসেবে অপুর দাবী, শাকিবের কারণেই তার নাম অপু ইসলাম খান বলে প্রকাশ করতে পারেননি তিনি। কারণ বিয়ের ব্যাপরটি ৮ বছর ও জয় গর্ভে আসার পর থেকে টিভি চ্যানেলে তা প্রকাশ করা পর্যন্ত দেড় বছর শাকিবের নির্দেশে বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি গোপন রাখতে হয়েছে। তাছাড়া আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসপোর্ট থেকে শুরু করে সব জায়গায় ‘অপু বিশ্বাস’ নাম রয়ে গেছে। এসব বদলাতে তো সময়ের দরকার।

অন্যদিকে, অপু জানিয়েছেন, তিনি তখন পর্যন্ত তালাকের নোটিশ হাতে পাননি। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ‘দুপুরে আমি বাবুকে (আব্রাম খান) খাওয়াচ্ছিলাম। হঠাৎ টেলিভিশনের স্ক্রলে খবরটি আমার নজরে আসে। এরপর মুঠোফোনে পরিচিতজনের কয়েকটি খুদে বার্তাও পেয়েছি। বিষয়টি আমাকে অবাক করেছে।’

তালাকের নোটিশ পাঠানোর বিষয়টা অপুর কাছে এখনো অবিশ্বাস্য। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।
অপু জানান, ভুল বোঝাবুঝির ঘটনার কয়েক দিন পর অপু ছেলেকে নিয়ে শাকিবের বাসায় যান। অপু বলেন, ‘শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে অনেক আন্তরিকভাবেই কথা হয়েছে। বাবু (আব্রাম খান) তার বাবার (শাকিব) সঙ্গে রাতে ঘুমিয়েছে। তখন শাকিবকে একজন দায়িত্ববান বাবা মনে হয়েছে আমার কাছে। মূলত তখন থেকেই স্ত্রী-সন্তানের প্রতি শাকিবের মধ্যে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখেছি। এখন এসব খবর তো আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।’

গত মাসে ছেলেকে রেখে চিকিতসা নিতে ভারতে যাওয়ার কারণে শাকিব খানের সঙ্গে আমার ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি হয়। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সেই সময় সে হয়তো রাগ হয়ে কিছু একটা করে থাকতে পারে। কিন্তু তার কয়েক দিনের মাথায় আমার সঙ্গে শাকিবের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে যায়। আর এখন পর্যন্ত তা রয়েছে।’

নিজের ফেসবুক পেজে সবশেষ স্ট্যাটাসে সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ রেখে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমাকে একটু সময় দিন। আমি ব্যাপারগুলো পর্যবেক্ষণ করছি। শিগগিরই আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব।’

মঙ্গলবার বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে সাংবাদিকদের উদ্দেশে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আপনারা ২০০৫ সাল থেকে আজ অবধি আমার পাশে ছিলেন। আমার ভালো সময় ও খারাপ সময়ে আপনাদের পাশে পেয়েছি। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ, আমি আপনাদের অনেক শ্রদ্ধা করি। সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আপনারা আমাকে পাচ্ছেন না বলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমাকে একটু সময় দিন, আমি ব্যাপারগুলো পর্যবেক্ষণ করছি। শিগগিরই আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করব।’

স্ট্যাটাসের শেষে ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী বলেন, ‘যারা আমার বক্তব্য না নিয়ে খবর প্রচার করছেন, তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, প্লিজ, আমাকে একটু সময় দিন। খুব তাড়াতাড়ি আমি আপনাদের সামনে আমার বক্তব্য তুলে ধরব। ধন্যবাদ সবাইকে…।’

এর আগে দুপুরে শাকিব খানের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম জানান, গত ২২ নভেম্বর শাকিব খান তাঁর চেম্বারে যান। অপুকে তালাক দেওয়ার ব্যাপারে তাঁর কাছে আইনি পরামর্শ নেন। এরপর শাকিবের পক্ষ থেকে ওই দিনই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়রের কার্যালয়, অপু বিশ্বাসের ঢাকার নিকেতনের বাসা এবং বগুড়ার ঠিকানায় ওই তালাকের নোটিশ পাঠানো হয়। এই তালাক কার্যকর হবে নোটিশ পাঠানোর তারিখ থেকে তিন মাস পর। এই আইনজীবী বলেন, বিয়ের দেনমোহর বাবদ সাত লাখ টাকা অপুকে পরিশোধ করবেন বলে শাকিব তাঁকে জানিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়ের ভরণপোষণের যাবতীয় খরচসহ দায়দায়িত্ব নিজে বহন করবেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে ‘কোটি টাকার কাবিন’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে শাকিব-অপুর জুটি গড়ে ওঠে। ২০০৮ সালে তাদের বিয়ে হয়। গতবছরের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতায় তাদের পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু সেসব তারা আড়ালেই রেখেছিলেন।

অপু গত এপ্রিলে সন্তান কোলে টেলিভিশন লাইভে এসে সেই খবর প্রকাশ করলে বিষয়টি নাটকীয়তার জন্ম দেয়। শাকিব খান এ নিয়ে শুরুতে বিভিন্ন রকম কথা বললেও পরে তাদের মধ্যে মিটমাট হয়ে যায়।

বিয়ের খবর প্রকাশের ৯ মাসের মাথায় ভাঙতে চলেছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এ জুটির সম্পর্ক।