মাদারীপুরে পুলিশের তৎপরতা ও এলাকাবাসীর সচেতনতায় ডাকাতির হাত থেকে বাচলো গ্রামবাসীরা

স্টাফ রিপোর্টার, মাদারীপুর: মাদারীপুর জেলা দুটি স্থানে ডাকাতি হতে পারে সেই সন্দেহে কয়েকটি এলাকায় পুলিশসহ বিভিন্ন মসজিদের মাধ্যমে সোমবার রাত দেড়টার দিকে মাইকিং করে সকল এলাকবাসীদের সর্তক করা হয়। এসময় ডাকাত মহাসড়ক দিয়ে আসলেও কোথাও কোন ডাকাতি হতে পারে নাই, পুলিশ ও এলাকবাসীর সচেতনতায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, ঢাকা থেকে কিছু ডাকাতের দল ঢাকা বরিশাল মহাসড়ক হয়ে যাওয়ার সময় রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম , বাজিতপুর এলাকায় ও মাদারীপুর সদরের মস্তফাপুরের ডাকাতি করতে পারে । তাই রাজৈর থানার পুলিশ আমগ্রামে পুলিশের তৎপরতা বাড়িয়ে এলাকায় বিভিন্ন মসজিদের মাইক দিয়ে মাইকিং করে এলাকবাসীদের সচেতন করে দেয়া হয় এবং মাদারীপুরের সদর থানার পুলিশ নিয়ে মস্তফাপুর অবস্থান নিয়ে একইভাবে এলাকার বিভিন্ন মসজিদের মাইক দিয়ে মাইকিং করে এলাকাবসীদের সচেতন করা হয়। আর এতে ডাকাতি থেকে বেচে গেল এলাকাবাসী।

মস্তফাপুর বাসস্টান্ড ব্যবসায়ী মো. আবুল হোসেন মোল্লা জানান, অনেক রাত সেই সময় আমি জানতে পারলাম মস্তফাপুর এলাকায় ডাকাতি হবে পুলিশ মস্তফাপুর বাসস্টান্ডে অনেক। তাই পুলিশের সহযোগীতায় বিভিন্ন মসজিদে মাইকিং এর ব্যবস্থা করি এবং তাদের সাথে আমরাও সারারাত টহল দিয়েছি।

মস্তফাপুর এলাকবাসীদের কয়েকজন আজিজুল হাওলাদর, আলাউদ্দিন হাওলাদর, সোহাগ জানান জানান, আমরা মাইকিং শুনে আর ঘুমাই নাই, আমরাও প্রস্তুত ছিলাম ডাকাত প্রতিরোধ করা জন্য। আমাদের কাছে যাদের মোবাইল নং ছিল সকলকেই সর্তক করা চেস্টা করিছি। বিভিন্ন মসজিদে মাইকিং করা ব্যবস্থা করেছি। সকালে নিশ্চিত হয়েছি ডাকাতি আর হওয়ার সম্ভবনা নাই। তবে ধন্যবাদ জানাই পুলিশ প্রশাসনকে তাদের কঠোর তৎপরতার জন্য।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত ) মো. সিরাজুল হক সরদার সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, আমি যখন জানতে পারলাম রাজৈরের আমগ্রাম ও বাজিতপুর এলাকায় ডাকতের একদল ঢুকছে অথবা ঢুকতে পারে তাই রাত দেড়টার দিকে পুলিশের তৎপরতা বাড়িয়ে এলাকায় মাইকিংসহ সারারাত অবস্থান করি। এই করানে কোন ডাকাতি ঘটনা হতে পারে নাই। আমরা সবসময় মাদারীপুর সদর থানার সাথে যোগাযোগ রেখেছি।

মাাদারীপুর সদর থানা ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি একটি ডাকতের দল আমগ্রাম ডাকতি করতে পারে তাই আমরা মস্তফাপুর পুলিশ ফোর্স বাড়িয়ে এলাকায় মাইকিং করি এতে ডাকাতির কোন ঘটনা ঘটতে পারেনি।