ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদসহ তেল সরবাহের ঠিকাদারী না পেয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

জাহিদ রিপন, কলাপাড়া প্রতিনিধি:
ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ না পাওয়ায় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরপিসিএল’র তেল সরবাহের ঠিকাদারী না পেয়ে একটি কুচক্রীমহল বিভিন্নভাবে হেয় প্রতিপন্ন করাসহ আইনী হয়রানী করছে এমন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে ধানখালী বিজনেস ফার্মেস ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ কর্মকর্তারা।

শুক্রবার বেলা এগারটায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সভা কক্ষে ধানখালী বিজনেস ফার্মসের বিভিন্ন কর্মকান্ডসহ কাজের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী রাইসুল ইসলাম রাজিব। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফার্মের কর্মকর্তা অনুপ গাজী, তুহিন মৃধা ও জুয়েল প্যাদা।

রাইসুল ইসলাম রাজিব গাজী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ধানখালীতে বেশ কয়েকটি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভ’মি অধিগ্রহনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে আসছি শুরু থেকেই। ভ’মি অধিগ্রহনের ফলে আমরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থসহ জীবন-জীবিকা হারানোর পথে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের ৬০জন সদস্য মিলে ধানখালী বিজনেস ফার্মস গঠন করি।

চলমান উন্নয়ন কাজে জড়িত প্রতিষ্ঠানের কাজে অংশগ্রহনের মাধ্যমে সামান্যতম হলেও বেঁচে থাকার অবলম্বন খুজে পেয়েছি। কিন্তু একটি কুচক্রীমহল মিথ্যা প্রচার-প্রচারনা, আইনীসহ গনমাধ্যমকর্মীদের ভ’ল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আমাদের হেয় প্রতিপন্ন আসছে। তিনি আরো বলেন, আজকে আমরা যারা এখানে এসেছি তারা কখনোই কোন সন্ত্রাসী, সরকারের উন্নয়ন কাজের বিরোধীতাকারী নই। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে এসব প্রচারনা চালানো হচ্ছে।

সম্প্রতি কয়েকটি গনমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি দৃস্টি আকর্ষন করে অনুপ গাজী বলেন, আমি এবং আমার বড় ভাই জ্ঞান হওয়ার পর থেকে স্বাধীনতার স্বপক্ষের দল আ.লীগের নিবেদিত কর্মী। অনেক অত্যাচার নির্যাতনের পরও দল ত্যাগ করিনি। দলের প্রভাবে কোন অন্যায় ও বে-আইনীকাজে জড়িত হয়নি।

অথচ আমাকে বলা হয়েছে কলাপাড়া উপজেলা বিএনপি নেতা এবিএম মোশারফ হোসেনের অস্থাভাজন ব্যাক্তি। এক ব্যাক্তি ফার্মের এমডি হতে না পেরে এবং আপর এক ব্যাক্তি তেল সরবারহের ঠিকাদারী না পেয়ে আমাদের বিরুদ্ধে নানা প্রচারনাসহ হয়রানী করে আসছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত তুহিন মৃধা বলেন, আ.লীগের একনিষ্ঠ সদস্য হলেও আমাকেও বলা হয় বিএনপি’র এক নেতার অস্থাভাজন। মুলত: এক বিএনপি নেতার কথানুযায়ী কোষাধ্যক্ষ নির্বাচনে বিরোধীতা করায় আমাকে সন্ত্রাসীসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

এসময় উপস্থিত কলাপাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি, কলাপাড়া বন্দর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং জেলা পরিষদ সদস্য ফিরোজ শিকদার বলেন, অপুন গাজী এবং তার বড় ভাই মরহুম স্বপন গাজী শুরু থেকেই আ.লীগের একনিষ্ঠ সদস্য। তারা কোন বিএনপি নেতার আস্থাভাজন নয়। এমন প্রচারনার তীব্র নিন্দা জানাই। একই অভিব্যাক্তি প্রকাশ করেন ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি ও আ.লীগ নেতা দিদারুল আলম বাবুল।