সারা দেশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে : অসাম্প্রদায়িক ও জঙ্গীমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আগৈলঝাড়ায় ৪৬তম বিজয় দিবস পালিত
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামীলীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে।

শনিবার সকালের প্রথম প্রহরে থানা প্রশাসনের তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হয়ে সকাল আটটায় আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের প্রতিকৃতিতে পু®পমাল্য প্রদান, নিরবতা পালন ও বিজয় দিবসের আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সরকারী ডিগ্রী কলেজ মাঠে বিজয় দিবসের সালাম গ্রহন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেল, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আবু তাহের মিয়া। পরে কুচকাওয়াজ প্রদর্শন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সদস্যদের সংবর্ধনা ও বিশেষ সন্মাণনা প্রদান, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, দেশ ও জাতির অগ্রগতি কামণায় মন্দির-মসজিদ-গীর্জা-প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থণা ও দোয়া, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ৪৬তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ১৫ ডিসেম্বর থেকে সকল অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নয়নাভিরাম আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়।

শনিবার সকালে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ মাঠের স্বাধীনতা বিজয় মঞ্চে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেলের সভাপতিত্বে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার (প্রচার) আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামীলীগ সমন্বয়ক আবু সালেহ মো. লিটন, জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাড. রনজিত কুমার সমদ্দার, পিয়ারা বেগম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরুর রাজ্জাক মোল্লা।

অনুষ্ঠানে সরকারী, বেসরকারী কর্মকর্তা, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

লক্ষ্মীপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

মু.ওয়াছী উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা ও বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুরে উদযাপিত হচ্ছে ৪৬তম মহান বিজয় দিবস। এ উপলক্ষে (আজ) শনিবার সকাল ৬টা ৩৪মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে বিজয় চত্বর স্মৃতি সৌধে পুষ্পার্ঘ অর্পন করেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগম। এরপর পর্যায়ক্রমে পুলিশ প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ অর্পন করেন ।

পরে সকাল ৬টা ৪৫মিনিটে শহরের বাগবাড়িস্থ গণ কবরে পুষ্পার্ঘ অর্পন শেষে শহীদদের রুহের মাঘফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগম, পুলিশ সুপার আসম মাহতাব উদ্দিন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ।
এ ছাড়াও দিন ব্যাপী নানা কর্মসুচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে ।

আড়াইহাজারে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে মহান বিজয় উদ্যাপন

আড়াইহাজার প্রতনিধি: আড়াইহাজারে শনিবার মহান বিজয় বিদস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় শহিদ মঞ্জুর স্টেডিয়ামে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সকাল কুজকাওয়াজ ও শরীরির চর্চ্চার আয়োজন করা হয়। এর আগে প্রথম প্রহরে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিবাসে উপস্থিত ছিলেন এমপি নজরুল ইসলাম বাবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া খান, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজালাল মিয়া, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল হক, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তালেব মোল্লা, মাহমুদ ইউনিয় চেয়ারম্যান আমান উল্যাহ আমান, আড়াইহাজার পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান, গোপালদী পৌরসভার মেয়র আবদুল হালিম সিকদার, আড়াইহাজার থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুন্দর আলী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, আড়াইহাজার থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মামুন অর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক আসলাম পাঠান, আড়াইহাজার সরকারি সফর আলী কলেজের ভিপি শরীফ, সাবেক ভিপি নাঈম মোল্লা, সাবেক ভিপি আমির হোসেন, আড়াইহাজার থানা তরুণ লীগের সভাপতি এইচএম জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তাবারক হোসেনসহ উপজেলা প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

কুজকাওয়াজ অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজসহ আনসার ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেয়। নেতৃত্ব দেন আড়াইহাজার থানা এসআই মাহ্ফুজ রানা।

বন্দর নগরী বেনাপোল ও শার্শায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

মহসিন মিলন, বেনাপোল প্রতিনিধি:
বন্দর নগরী বেনাপোল ও শার্শায় আজ শনিবার সকালে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। সকালে কাস্টমস, বন্দর, পুলিশ, বিজিবি,আওয়ামীলীগ, বিএনপি, প্রেস ক্লাব বেনাপোল , মুিক্তযোদ্ধা সংসদ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যানার ফেস্টুন ও ফুল’র ডালি নিয়ে র‌্যালী সহকারে কাগজপুকুর স্মৃতি সৌধে পুস্পাঞ্জলি অর্পন করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শার্শা স্টেডিয়াম ও কাশিপুর বীর শ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ এর মাজারে সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, বিজিবির কমান্ডিং অফিসার কর্নেল আরিফুল হক , বেনাপোল পৌর সভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন ,শার্শা উপেজলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার মন্ডল ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান । পরে শার্শা স্টেডিয়ামে পুলিশ, আনসার, ভিডিবি, বন্দরের নিরাপওা প্রহরী ও শিশু শিক্ষার্থীদের কুজকাওয়াজ ও গার্ড অব অনার গ্রহন করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

কামরুল হাসান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস। সুর্যদয়ের সাথে সাথে অপরাজেয়-৭১’ এ পুস্পস্তাবক অর্পন করা হয়। পাশাপাশি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, নরেশ চৌহান, জেলা শিল্পকলা একাডেমী সংলগ্ন বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুস্পমাল্য অর্পন করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল। পাশাপাশি জেলা পুলিশ, জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, আ’লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন, প্রেস ক্লাব, অনলাইন এসোসিয়েশন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলী জানানো হয়।

পরে ঠাকুরগাঁও জিলা স্কুল বড় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় কুচকাওয়াজ ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল, পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেক কুরাইশী, সিভিল সার্জন ডা. আবু মো. খায়রুল কবির, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অরুনাংশু দত্ত টিটো, যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ আপেল, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ দত্ত সমীরসহ বিভিন্ন সহযোগী ও অংঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সেখানে ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কুচকাওয়াজ পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি মাঠ পাস, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক, ডিসপ্লে, খেলাধুলা পরিচালনা করা হয়। পরে অংশগ্রহনকারীদের পুরস্কার বিতরন করেন অতিথিরা।

দিনাজপুরে মহান বিজয় দিবস

শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর থেকেঃ মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভ ও চেহেলগাজী মাজারে স্মৃতিসৌধে একাত্তরের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এবং জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম,জেলা প্রাশাসক মীর খায়রুল আলম,পুলিশ সুপার হামিদুল আলমসহ সর্বস্তরের মানুষ।

শনিবার ভোর সাড়ে ছয়টায় তাঁরা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্তম্ভ ও চেহেলগাজী মাজারে স্মৃতিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় ।
এছাড়াও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরে কুজকাওয়াজ,মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনাসভা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে জেলা প্রশাসন,হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়,শিক্ষা বোর্ড,দিনাজপুর প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন।

দুর্গাপুরে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত

কলিহাসান,দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি:
সুর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সুচনা ঘটে।এর পর পরই শহীদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল,উপজেলা প্রশাসন,শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্টান গুলি পুষ্পার্ঘ অর্পন করে।

সুসং সরকারী কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে দিবসের তাৎপর্য তুলেধরে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে বক্তব্যদেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছবি বিশ্বাস,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমদাদুল হক খান,সিনিয়র এএসপি দুর্গাপুর সার্কেল শিবলী সাদিক,ইউএনও মোঃ মামুনুর রশীদ।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক মোঃ সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ,উপজেলা আ:লীগ সহ-সভাপতি আলী আজগড়,সহ-সভাপতি এ্যাড.মুজিবর রহমান,উসমান গনি তালুকদার,যুবলীগ সভাপতি মোঃ আঃ হান্নান,যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমূল হাসান সাদ্দাম আকজ্ঞি,ও,সি মোঃমিজানুর রহমান আকন্দ প্রমূখবৃন্দ।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধিত করার পর পুলিশ,আনসারসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত উপস্থাপন করে।এবং অনুষ্টান শেষে সেরা তালিকাদের মাঝে বিভিন্ন উপহার সামগ্রি তুলে দেন।

গাইবান্ধায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালিত

গাইবান্ধায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়। গাইবান্ধার সাত উপজেলায় সংসদ সদস্য ও স্থানীয় প্রশাসন একই সময় বিজয় স্তম্ভে পূষ্পমাল্য অর্পন করেন।

বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮ টায় গাইবান্ধা শাহ আব্দুল হামিদ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল।

পরে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল ও পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শন করে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডিসপ্লে¬¬¬¬¬ও প্রদর্শন করে।

এরপর গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। আয়োজিত ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি।

জাতীয় সংসদের হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে স্টেডিয়াম থেকে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে জাতীয় পতাকা নিয়ে একটি বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালী জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ, জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রধান একেএস মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাবেক এমপি ওয়ালিউর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, শাহ শরিফুল ইসলাম বাবলু, মোজাম্মেল হক মন্ডল, মবিনুল হক জুবেল, গৌতম চন্দ্র মোদক প্রমুখ।

এছাড়াও জেলা প্রশাসন আয়োজিত অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিল শিশুদের চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা, প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, মহিলাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির সার্বজনিন ব্যবহার এবং মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক আলোচনা, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চলচিত্র প্রদর্শনী।

ফুলবাড়ী ও দাশিয়ারছড়ায় বিজয় দিবস পালিত

অনিল চন্দ্র রায়,ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশ, আর তার যোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহার দিয়েছেন ১১১্টি ছিটমহলের স্বাধীনতা। এটা শেখ হাসিনারই বিশাল কুটনৈতিক সফলতা ও অর্জন। এ সফলতা ও অর্জন ধরে রাখতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে দেশপ্রেমিক হতে হবে। প্রায় অর্ধ লাখ মানুষ ৬৮ বছরের বঞ্চনা আর পরাধীনতার শৃংখল থেকে মুক্তি পেয়েছে। এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আজ সোনায় পরিনত হতে চলেছে।

এ দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে হয়তোবা আমরা একটি সোনার বাংলা নামের বাংলাদেশ পেতাম না। বাঙ্গালী জাতি সত্তার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে স্বাধীন করে দিয়েছেন তেমনি ভাবে তারই কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের অবরুদ্ধ ছিটমহল গুলোকে ২০১৫ সালের ১ আগষ্ট দেশের মূল ভু-খন্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়ে চিরতরে মুক্ত করে দিয়েছেন। আমরা আজ স্বাধীন দেশের নাগরিক। ছিটমহলও স্বাধীন। আজ ১৬ ডিসেম্বর পালন করছি।

এভাবেই তাদের অনুভূতির কথা গুলো জানালেন দাশিয়ারছড়ার অধিবাসীরা। সেখানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৯টি মসজিদে মিলাদ-মাহফিল, তিনটি মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা ও দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে। অন্যদিকে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করে।

উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা কমান্ড কাউন্সিল, ফুলবাড়ী ডিগ্রী কলেজ, ফুলবাড়ী মহিলা ডিগ্রী কলেজসহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী দপ্তর ও উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন বাসীও এই দিবসটি পালন করেছে। এ সময় আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।

এ সময় শহীদ মিনারের পাদ দেশে বক্তব্য রাখেন ইউএনও দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান শেখ, সম্পাদক গোলাম রব্বনী সরকার, বীরমুক্তিযোদ্ধা ঢাকা জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল (অবঃ) ডাঃ হামিদুল হক খন্দকার,জাতীয় পার্টির নেতা আজিজার রহমান মাস্টার, অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম রিজু,ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার ফুয়াদ রুহানী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান,প্রমূখ। এছাড়াও দিনব্যাপী ফুলবাড়ী জছি মিয়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শারীরিক কসলত প্রদর্শিত হয়েছে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে গোপালগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে গোপালগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাব। সকাল সাড়ে ৯ টায় ক্লাবের সভাপতি এস এম হুমায়ূন কবীরের নেতৃত্বে অন্য সদস্যরা সদর উপজেলা পরিষদ-সংলগ্ন জয়বাংলা পুকুরপাড়ে নির্মিত শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইলিয়াস হক ও চৌধুরী হাসান মাহামুদ, সাধারণ-সম্পাদক নীতিশ চন্দ্র বিশ্বাস, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান মানিক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাহমুদ খান কুটি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শাহানাজ নাজনীন বাবলী, প্রচার সম্পাদক মাহাবুব রহমান মুকুল, দপ্তর সম্পাদক শেখ নূতন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরুল কাদির সবুজ, সহ-দপ্তর সম্পাদক নাজমুল আলম খান (নিজাম), কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সদস্য রবীন্দ্রনাথ অধীকারী, হেমন্ত বিশ্বাস, কাজী মাহমুদসহ ক্লাবের অন্য সদস্যগণ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জে বিজয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জে বিজয় দিবস উপলক্ষে ৫শত শিক্ষার্থীদের মাঝে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস.এম শিবলী নোমানের পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বলাকইড় আজহারীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান অতিথি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে শীত বস্ত্র তুলে দেন। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এম শিবলী নোমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইদুর রহমান খান ও উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফার রহমান বাচ্চু।

গোপালগঞ্জে রঘুনাথপুর দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ৩ দিন ব্যাপী মহানাম যজ্ঞনুষ্ঠান চলছে

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : শুভ অধিবাস ও মঙ্গলঘট স্থাপনের মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে শুরু হয়েছে ২৪ প্রহর ব্যাপী ৩ দিন পর্যন্ত মহানাম যজ্ঞনুষ্ঠান । বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় উৎসব আসরে নামসুধা পরিবেশন করছেন শ্রী গেীরাঙ্গ সম্প্রদায়-মাগুরা , বেদবানী সম্প্রদায়-কুমিল্লা ,গোপাল সংঘ-সিলেট , শ্রী দূর্গা সম্প্রদায়-খুলনা , অষ্টসখী সম্প্রদায়-বাগেরহাট ও সত্য সনাতন সম্প্রাদয়-গোপালগঞ্জ ।

১৭ডিসেম্বর রবিবার সূর্য ওঠার আগে শেষ হবে এ অনুষ্ঠান। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত ভক্ত বৃন্দের সমাগম ঘটছে এ নব বৃন্দাবনে। গতকাল শুক্রবার ছিল মহানাম যজ্ঞনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন। বিপুল উৎসাহ-উদ্দিীপনা ও যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যদায় এবং সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠান চলছে বলে জানান, অনুষ্ঠান পরিচালনার কমিটির সভাপতি, প্রাক্তন শিক্ষক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য নিত্যানন্দ বিশ্বাস।

ময়মনসিংহে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদনে স্মৃতিসৌধে জনতার ঢল

আব্দুল মান্নান পল্টন,ময়মনসিংহ ব্যুরো:
মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে জনতার ঢল নামে ময়মনসিংহের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে। বিজয় উল্লাসে জনতার বজকন্ঠে বঙ্গবর্ন্ধুর ভাষণ আর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের জাগরণী গানে গোটা স্মৃতিসৌধ এলাকাসহ মুখরিত হয়ে উঠে এতদ অঞ্চলের আকাশ-বাতাস।

১৬ ডিসেম্বর শনিবার ভোরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎস্বর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ধর্মমন্ত্রী প্রিন্সিপাল মতিউর রহমান।
এরপর পর্যায়ক্রমে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার জি.এম.সালেহ উদ্দিন, পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, জেলা প্রশাসক (ডিসি) খলিলুর রহমান, অতিরিক্ত ডি আইজি ড. আক্কাছ উদ্দিন ভুইয়া, জেলা পুলিশ সুপার এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা, সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, পৃথকভাবে ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র মো. ইকরামুল হক টিটু, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক মোহাম্মদ শাহীনুর রহমানসহ আওয়ামীলীগ অঙ্গসংগঠনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্যে দিয়ে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞ্যাপন করে।

এ ছাড়াও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদসহ বিএনপি’র দলীয় নেতা-কর্মীরা।

ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি জাহাঙ্গীর আহমেদের নেতৃত্বে স্মৃতিস্তম্ভের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মহানগর জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরাও। জেলা জাসদ সভাপতি অ্যাডভোকেট গিয়াস উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাদিক হোসেনসহ সর্বস্তরের জনতা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী কলেজে মহান বিজয় দিবস পালিত
নবাবগঞ্জ(ঢাকা) প্রতিনিধি:
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপড়া তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী কলেজে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা,র‌্যালী ও পুষ্পার্ঘ অর্পন করা হয়। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শিক্ষার্থী,শিক্ষক ও অতিথিদের সম্মেলনের মাধ্যমে কলেজের বিজয়স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন।

পরে কলেজের হলরুমে আলোচনা সভার শেষে দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মিরাজুল হোসেন চৌধুরী(বাখর মিয়া)। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ ড.মোহাম্মদ আলমাস আলী খাঁন,গর্ভনিং বডির সদস্য মো.নজরুল ইসলাম ,মো.আমজাদ হোসেন, কামাল মোস্তফা প্রমুখ।

আগামীকাল ‘কনসার্ট ফর জাকসু’ জাবিতে
জাবি সংবাদদাতা:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট আয়োজন করছে ‘কনসার্ট ফর জাকসু’। আগামীল রবিবার ১৭ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে সেলিম আল দ্বীন মুক্তমঞ্চে এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার বিকাল চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা ।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান বলেন ,“জাকসু না থাকায় নতুন নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছে না । আদায় হচ্ছেনা সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার। বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭৩সালের ১৯(২) ধারায় বলা আছে যে এই ধারা অনুযায়ী ভিসি প্যানেল নির্বাচনে জাকসু থেকে ৫জন প্রতিনিধির ভোটাধিকার আছে; কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে যে জাকসু নির্বাচন না দিয়ে সিনেট প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট নির্বাচনে আয়োজন করা হয়েছে। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পরই প্রশাসন জাকসু নির্বাচনের সময় ঘোষনা করবে বলে আশা করছি”

ফুলবাড়ীতে মহান বিজয় দিবস পালিত

মেহেদী হাসান উজ্জ্বল,ফুলবাড়ী(দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গতকাল শনিবার বিভিন্ন কর্মসুচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে ।

দিবসটি উপলক্ষে দিনের প্রথম প্রহরে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের পুষ্পস্তবক অর্পনের মধ্যদিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়। এরপর সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত ফুলবাড়ী সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুচকাওয়াজ,ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সুজাপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এম,পি।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এ্যাডঃ মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেন,জাতির জনক শেখ মুজিবের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রফিকুল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সভাপতি হায়দার আলী শাহ্,সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান বাবুল, ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শেখ নাসিম হাবিব প্রমুখ।

এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়িত্ব শাসিত সকল প্রতিষ্ঠানে সূর্যদ্বয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোক সজ্জা প্রদর্শন করা হয় ।
অপরদিকে উপজেলার সকল মসজিদ,মন্দিরে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে মুনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।

নন্দীগ্রামে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ

মুনিরুজ্জামান মুনির,নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে উৎসব মুখর পরিবেশে বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে ।

শনিবার সকাল ৬ টা ৪০ মিনিটে পুলিশের একটি চৌকস দল সশস্ত্র অভিভাদনের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. শরীফুন্নেছা। এরপর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপিত রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান, নন্দীগ্রাম থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট রাফি পান্না, জেলা বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন, নন্দীগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা সরকার, সাধারণ সম্পাদক মুনিরুজ্জামান মুনির নন্দীগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একে একে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় শহীদবেদি। সেখান থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার শপথ বাক্য উচ্চারিত হয়। পুস্প মাল্য অর্পন শেষে শহীদদের আতœার মাগফিরাত কামানায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও সকাল সাড়ে ৮টায় নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তলনের মধ্যদিয়ে বিজয় দিবস উপলক্ষে দিন ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস.শরীফুন্নেসা।

পটুয়াখালীতে বিজয় দিবস উদযাপন

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী: শনিবার প্রভাতে ৩১বার তোপধ্বনি, শহীদ বেদীতে পুস্পার্পন, বর্নাঢ্য রেলী, পুলিশ, আনসার এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে কুচকাওয়াচসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীর সকল উপজেলা সদরসহ ইউনিয়নে পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস। সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল অফিস আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ীতে উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা। বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের সংবর্ধনা, হাসপাতালে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। সকালে উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটি, উপজেলা আ.লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাং¯ৃতিক সংগঠন পৌর শহরের কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সকাল ৮টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহনে কুজকাওয়াজ প্রদর্শন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিশু-কিশোর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর রহমান, পৌর মেয়র বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলাউদ্দিন মিলন, আ.লীগের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন বেপারী, পৌর বিএনপি’র সভাপতি উপাধ্যক্ষ নুর বাহাদুর তালুকদারসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ।

অপরদিকে মহিপুর থানা আ.লীগের উদ্যোগে ধুলাসরে পটুয়াখালী জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মুহিব্বুর রহমানের নেতৃত্বে ইউনিয়ন আ.লীগ, তার সকল অঙ্গ সংগঠন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের মানুষ রেলীতে অংশ গ্রহন করে। বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা পৌর আ.লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলো দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচি উদ্যোগে পালিত হয়েছে বিজয় দিবস।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজেন্দ্র কলেজে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

হারুন-অর-রশীদ,ফরিদপুর প্রতিনিধি: ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে জেলা শহরে কলেজটির শহীদ মিনার চত্ত্বরে এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোশার্রফ আলী। এসময় বক্তব্য রাখেন, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু তালেব মিয়া,ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর বিলাল হোসেন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম, ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রিজভী জামান,ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রেজাউল করিম, রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্র সংসদের (রুকসু) ভিপি কাওসার আকন্দ, জিএস তামজিদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পতœীতলায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

আর আই সবুজ,(নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পতœীতলায় যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ২০১৭ উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত নজিপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পালন করা হয়। ভোর ৫ টা ১ মিনিটে শহিদ মিনারে থানা পুলিশের ৩১ তপধ্বণির মধ্যদিয়ে সাথে সাথে পুষ্পমাল্য অর্পণ এর মাধ্যমে শুরু হয় প্রথম প্রহর।

কর্মসুচির মধ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, শরীরচর্চা প্রদর্শনী, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, আলোচনা সভা, পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল মালেক এর সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পতœীতলা-ধামইরহাট এলাকার সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মোঃ শহিদুজ্জামান সরকার (বাবলু)।

বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা আ.লীগ সভাপতি ইছাহাক হোসেন, উপজেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বাবু নির্মল কুমার ঘোষ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শহিদুল ইসলাম, থানা ওসি মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা আ.লীগের সহসভাপতি আব্দুল খালেক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গাফফার, নজিপুর পৌরসভার মেয়র মো: রেজাউল কবির চৌধুরী, নজিপুর পৌর আ.লীগের সভাপতি শহিদুল আলম বেন্টু প্রমূখ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- নজিপুর প্রেস ক্লাব প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, নজিপুর প্রেস ক্লাব সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্মৃতি রাণী মহন্ত, নজিপুর প্রেস ক্লাব আহবায়ক মাসুদ রানা,যুগ্ম আহবায়ক রবিউল ইসলাম সবুজ, নজিপুর প্রেস ক্লাব সদস্য সিয়াম সাহারিয়া, মেহেদি হাসান সহ উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস উদ্যাপন

মোঃ রেজোয়ান হোসেন: গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস ২০১৭ উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় শোভাযাত্রা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি, শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া এবং জাতির জনকের মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

সকাল ৯.৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বিজয় শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ক্যাম্পাসে শহীদ মিনারে এবং গোপালগঞ্জ শহরের শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম সংলগ্ন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।

এসময় মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া এবং এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

এর আগে দিবসের রাত ১২.০১ মিনিটে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের নেতৃত্বে টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয় এবং ক্যাম্পাসের প্রশাসনকি ও একাডেমিক ভবনে আলোকসজ্জা করা হয় ।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. এম এ সাত্তার, আইন অনুষদের ডীন মোঃ আব্দুল কুদ্দুস মিয়াসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

আগৈলঝাড়ায় মহান বিজয় দিবসে ১৬ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সংবর্ধনা

অপূর্ব লাল সরকার প্রতিনিধি,আগৈলঝাড়া, বরিশাল: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার সকালে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রশাসন শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ মাঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেলের সভাপতিত্বে স্বাধীনতা মঞ্চে মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের জন্য ১৬ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের সহকারী কমান্ডার (প্রচার) আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, অধ্যক্ষ কমলা রানী মন্ডল, উপজেলা আওয়ামীলীগ সমন্বয়ক আবু সালেহ,মো. লিটন , জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাড. রনজিত কুমার সমদ্দার, পিয়ারা বেগম, ভাইস চেয়ারম্যান মলিনা রানী রায়, জসীম সরদার, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা, গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোয়েব ইমতিয়াজ লিমন, বাকাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিপুল দাস, রাজিহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার, বাগধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি, রতœপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার, সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ। এর আগে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীমুল ইসলাম সম্পাদিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত পত্রিকা সবার মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

বিজয় দিবসে শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে হল জাতীয় পতাকা

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
মহান বিজয় দিবসে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে জাতীয় পতাকা বিতরন করেছে সেচ্ছাসেবী সংগঠন একুশে ক্লাব। শনিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান বিজয় দিবসে আনন্দ র‌্যালীতে অংশ নেওয়া বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হতে তুলে দেয়া একটি করে লাল সবুজের পতাকা। একুশে ক্লাবের ব্যতিক্রমি এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। পতাকা বিতরনের সময় ক্লাবের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য আমির হোসেন, সালাম তালুকদার, দেলোয়ার হোসেন, কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য কবির তালুকদার, হাফিজুর রহমানসহ আন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

একুশে ক্লাবের উদ্যোক্তা সংগঠক মিলন সরকার জানান, লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জাতীয় পতাকার প্রতি ভালবাসা ও সম্মান কোমলমতি শিশুদের মাঝে বৃদ্ধি জন্য এ আয়োজন করা হয়েছে। আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম জানান, ক্লাবটি সম্পূর্ন অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন। এ সংগঠনটির মাধ্যমে রাক্তদান কর্মসূচী, ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, অসুস্থ রোগীদের সহায়তা, হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের মঝে শিক্ষা উপকরন ছাড়াও সামাজিক সংস্কৃতি আনুষ্ঠান করে থাকি।

স্বাধীনতা রক্ষায় শহীদ জিয়া অনুপ্রেরনা : জিয়া স্মৃতি সংসদ

কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে এডভোকেট মোঃ শাহ আলম এর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য ও সুবিশাল বিজয় র‌্যালি উপজেলার বাশমহল হতে শুরু হয়ে দীর্ঘ ২ কিঃ মিঃ প্রদক্ষিণ করে বাজিতপুর ডাক বাংলো ময়দানে স্থাপিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে মহান বিজয় দিব‌সে শহীদ‌দের প্র‌তি শ্রদ্ধা জানিা‌য়ে‌ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এ সময় জিয়া শহীদ স্মৃতি সংসদের পক্ষে কবির আহমেদ, নুরুল ইসলাম কাজল, নাইম আহমেদ ও হাজী কালাম মেম্বার, সোহরাব আহমেদ, মোঃ বাচন মিয়া, মোঃ জিয়াউদ্দিন জুয়েল, রোকন, আনার ও মুর্শিদ সহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতার চার দশক পর বাংলাদেশ আজ এক গভীর রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্য দিয়ে পথ চলছে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে। জাতীয় জীবনের এই সঙ্কটময় মুহূর্তে আজ এমন একজন মানুষ সম্পর্কে দু-চারটি কথা লিখতে যাচ্ছি, যিনি জড়িয়ে আছেন বাংলাদেশের অস্তিত্বের সাথে। তিনি আর কেউ নন- তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বলে সুপরিচিত, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি জিয়াউর রহমান।

মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সংগঠনগুলোর ঐক্যের আহ্বান

বিজয়ের ৪৬ বছরের এই দিনে এসেও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষগুলো ঐক্যবদ্ধ হতে না পারাটা অত্যন্ত দুঃখজনক। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং জাতীয় নির্বাচন ও দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সকল রাজনৈতিক দল-মতের ঐক্যে; সময়ের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকল শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর এ আহ্বান করেন বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম (বোয়াফ)।

বোয়াফ সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের মধ্যে সমন্বয় নেই বলেই আজ স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার ও তাদের পৃষ্ঠপোষক গোষ্ঠী দেশ ও জনগণ বিরোধী ষড়যন্ত্র করতে সাহস পাচ্ছে। সমাজ গঠন ও রাষ্ট্র নীতিতে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির ঐক্যের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

তিঁনি আরও বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের ছুড়ে ফেলে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের রাজনৈতিক দল-মতের ঐক্যের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফল ঘটানো রাজনৈতিক সংগঠকদের দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে অন্যন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি বদরুল আলম, হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ইমরান খান শ্রাবন, মহিবুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাকিব, কেন্দ্রীয় সদস্য নাঈমুর রহমান ইপনসহ আরও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন

মেহেদী হাসান,খুলনা থেকেঃ- কুচকাওয়াজ, সালাম গ্রহণ, সমাবেশ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় খুলনায় মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নগরীর গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ এবং প্রত্যুষে মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা হয়।

সকাল সাড়ে আটটায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বিভাগীয় কমিশনার মো. লোকমান হোসেন মিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। একই স্থানে কুচকাওয়াজ এবং শরীরচর্চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত নগরীর সিনেমা হলসমূহে শিক্ষার্থীদের বিনা টিকিটে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। বেলা ১২টা থেকে শহীদ হাদিস পার্কে মুক্তিযুদ্ধের ওপর স্থিরচিত্র প্রদর্শন করা হয়। বেলা ১২টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিভাগীয় জাদুঘর বিনা টিকেটে সর্বসাধারণের জন্য উম্মুক্ত রাখা হয়।

বিজয় দিবস উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সন্তানদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত স্থানীয় নৌ-বাহিনীর জাহাজ জনসাধারণের দর্শনের জন্য বিআইডব্লিউটিএ রকেট ঘাটে উম্মুক্ত রাখা হয়। বিকেল তিনটায় পাইওনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে মহিলাদের ক্রীড়া অনুষ্ঠান ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা সভা এবং বিকেল সাড়ে তিনটায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে কেসিসি বনাম জেলা প্রশাসন একাদশের মধ্যে প্রদর্শনী ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কেসিসি মেয়র মো. মনিরুজ্জামান মনি প্রধান অতিথি হিসেবে উভয় দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

সন্ধ্যায় খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ হাদিস পার্কে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনার বিষয় ছিল ‘সুখী সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বজনীন ব্যবহার এবং মুক্তিযুদ্ধ’।

এছাড়া খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি (জেপি), জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রেসক্লাব, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে), খুলনা নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রক্তদান ও চিকিৎসাসেবাসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে খুলনা বেতার বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার এবং স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে। ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে ১০-৫টা পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের দুর্লভ ছবি ও পুস্তক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

অপরদিকে, জেলার ডুমুরিয়া কলেজ মাঠে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুচকাওয়াজ ও সালাম গ্রহণ পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। অনুষ্ঠানে ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খান আলী মুনসুর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সজিব খান, মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে একই স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

আমতলীতে মহান বিজয় দিবস পালন
এম এ সাইদ খোকন, বরগুনা প্রতিনিধি:
আমতলীতে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নানা কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে পালিত হয়। সকাল ৭টায় স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্থাবক অর্পনের মধ্যে দিয়ে দিনের কর্মসূচী শুরু হয়।

পুস্পস্থাবক অর্পন করেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম দেলওয়ার হোসেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সরোয়ার হোসেন, আমতলী পৌর মেয়র মো: মতিয়ার রহমান, আমতলী প্রেসক্লাব, আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, উদীচি শিল্পী গোষ্ঠি, পায়ড়াপরি খেলাঘড়, নজরুল স্মৃতি সংসদ-এনএসএসসহ বিভিণœ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সকাল সাড়ে ৮ আমতলী সরকারী কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে এবং পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম দেলওয়ার হোসেন।

আমতলী উপজেলঅ নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সরোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আমতলী পৌর মেয়র মো: মতিয়ার রহমান, আমতলী উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: হুমায়ুন কবির। এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: সহিদ উল্যাহ। প্যারেড ও সালাম গ্রহন শেষে অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনে ডিসপ্লে। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের দেওয়া সংবর্ধনা। বিকেল ৬টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও মনোঞ্জ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আমতলীতে মুক্তি যোদ্ধাদের সংবর্ধনা
এম এ সাইদ খোকন
আমতলীতে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আমতলী সরকারী কলেজ মাঠে সকাল সাড়ে ১১ টায় আমতলী উপজেলঅ নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সরোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন আমতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জিএম দেলওয়ার হোসেন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আমতলী পৌর মেয়র মো: মতিয়ার রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মো: নুরুল ইসলাম মৃধা ও মো: শাহানুর মাষ্টার প্রমুখ।

হোমনায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ

তপন সরকার, হোমনা প্রতিনিধি :
আজ ১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস । বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জনের দিন। সরা দেশের মতো কুমিল্লার হোমনায় মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে হোমনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কুচকাওয়াজ,ডিসপ্লে প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পূর্ব দিগন্তে রক্তিম সূর্য উঁকি দেয়ার পূর্বে হোমনার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং সালাম প্রদাণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধায় শহীদের স্মরণ করেন-উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, হোমনা থানা, উপজেলা আ’লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, হোমনা পৌরসভা, পৌর আ’লীগ ও অঙ্গসঙ্গঠন সমূহ, ছাত্রলীগ,যুবলীগ ,উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসঙ্গঠন সমূহ, উপজেলা জাতীয় পার্টি ও অঙ্গসঙ্গঠন সমূহ, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, হোমনা প্রেস ক্লাব ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

আজ শনিবার বেলা ১২ টার দিকে হোমনা শিল্পকলা একাডেমিতে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নাজমুস শোয়েবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রসুল আহমদ নিজামী, পৌর মেয়র এ্যাড. মো.নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ওমেন্স চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান সেলিমা আহমাদ মেরি, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল, ইসলাম, জেলা পরিষদের সদস্য মহিউদ্দিন খন্দকার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. মোশারফ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জুলফিকার আলী, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগের আহবায়ক মহসীন সরকার ,হোমনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন লিটন প্রমুখ।

বাংলাদেশ ওমেন্স চেম্বার অব কমার্সের চেয়ারম্যান সেলিমা আহমাদ মেরী বলেন, সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছিল। পৃথিবীর সব স্বাধীন দেশেরই স্বাধীনতা দিবস আছে। কিন্তু বিজয় দিবস নেই। আমরা একই সঙ্গে স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের উত্তরাধিকারী। যে অগণিত শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই বিজয় সম্ভব হয়েছিল, আমরা তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। একই সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী নেতাদের।