মাদ্রাসা থেকে অপহরনের পর ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ শেষে নৃশংস হত্যা! উত্তাল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক আলোচিত ফিচার ডেস্ক-

মাত্র ৭ বছরের ফুটফুটে নিস্পাপ শিশু জয়নবকে নিকটাত্মীয়দের কাছে রেখে পবিত্র উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গিয়েছিলেন বাবা-মা। কে জানতো ফুটফুটে এমন নিস্পাপ শিশু ভাগ্যে অপেক্ষা করছে ভয়ানক কিছু।
গত ৪ জানুয়ারি পাকিস্তানে সাত বছরের শিশুকন্যা জয়নব একটি মাদ্রাসার ক্লাস থেকে অপহরনের পর তাকে পৈশাচিক কায়দায় ধর্ষণ শেষে নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটে। এই নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদে পাকিস্তানে এখন বিক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়েছে।

বেশ কদিন নিখোঁজ থাকার পর গত ৯ জানুয়ারি একটি আবর্জনার স্তুপের মধ্যে উদ্ধার হয় তার গলিত মৃতদেহ। শিশু জয়নবের খুনের ঘটনাকে ঘিরে এখন বিক্ষোভে উত্তাল পাকিস্তানের কাসুর শহর । এখন পর্যন্ত পুলিশ ও আর্মির গুলিতে দুজন প্রতিবাদকারি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই।

শিশু জয়নবের লাশ কাধে জানাযায় অংশগ্রহনকারীদের একাংশ

এই ঘটনার প্রতিবাদে পাকিস্তানের সামনা টিভির সঞ্চালিকা কিরণ নাজ খবরের উপস্থাপনায় তার নিজের শিশু সন্তানকে নিয়ে আকস্মিক উপস্থিত হন। খবরের শুরুতেই নাজ বলেন, ‘আজ আমি শুধু আপনাদের নিউজ অ্যাঙ্কার নই, এখানে আজ আমি একজন মা হিসেবে উপস্থিত হয়েছি। সেকারণেই আমার কোলে রয়েছে আমার ছোট্ট মেয়ে। ’

সঞ্চালিকা নাজ তার সাত বছরের শিশুকন্যাকে কোলে নিয়েই এভাবেই টেলিভিশনে খবর পড়া শুরু করেন। তিনি বলেন, জয়নব নামের শিশুটিও আমার সন্তান। আমার কোলের সন্তানও আজ নিরাপদ নয়! তিনি বলেন, শিশুটির মা বাবা সেই সময় সৌদি আরবে ওমরা করতে গিয়েছিলেন।

পাকিস্তানে শিশুদের উপর ঘটে চলা ধর্ষণ, যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে নাজের এই অভিনব প্রচার নজর কড়েছে। প্রসঙ্গত, গত দুই বছরের পাকিস্তানে এমনি শিশু ধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে কমপক্ষে ১২ টি।

জয়নবের হত্যা ঘটনায় উত্তাল পাকিস্তানের সংবাদ বিবিসি’র ভিডিওতে