বাংলাদেশীকে ভ্যান চালককে মারপিট করল ভারতীয় বিএসএফ

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম ) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে বাংলাদেশী ভ্যান চালক হাকু মিয়ার সঙ্গে হস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে সীমান্তবাসী আসাদুল ইসলাম,মিলন মিয়া,শোহেল রানাসহ ২০/২৫ জন মিলে বিএসএফের কাছ থেকে ওই ভ্যান চালককে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় সীমান্তে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সীমান্তবাসী ও বিজিবি সুত্রে জানা গেছে,শনিবার দুপুর ২ টায় উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালাতাড়ি সীমান্তে আন্তর্জাতিক ৯৩২ নং মেইন পিলারে কাছে ভারতীয় করলা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা দুই দেশের চোরাকারবারীদে লক্ষ্য করে ধাওয়া দিলে ভুলঃবশ বাংলাদেশে প্রবেশ।

এ সময় কোন চোরাকারবারীকে না পেয়ে ওই সীমান্তে এক বাংলাদেশী ভ্যান চালককে বেধরক মারপিট করে ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সীমান্তের শতাধিক নারী-পুরুষ ভারতীয় চার বিএসএফ সদস্যদেরকে ধাওয়া করে আটক ভ্যান চালককে উদ্ধার করে। পরে বাংলাদেশীদের ধাওয়া খেয়ে বিএসএফ সদস্য পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) বালারহাট ক্যাম্পের ২০/৩০ জন সদস্য সীমান্তে চারিদিকে টহল জোড়দার করে ভারতীয় করলা ক্যাম্পের বিএসএফের কাছে ত্রীব প্রতিবাদ জানান।

বিজিবির প্রতিবাদে ওই সীমান্তে আর্ন্জাতিক মেইন পিলার ৯৩২ এর সাব পিলার ১ এস ও ২ এসের মধ্যে দুই দেশের কোম্পানী পর্যায়ে বিজিবি ও বিএসএফ পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে নের্তৃত্ব দেয় লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি অধীন শিমুলবাড়ী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার নুর-ই-আলম ও ভারতের পক্ষে নের্তৃত্ব দেয় কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার অধীনে ৩৮ বিএসএফ করলা ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার ইন্সপেক্টর বিনোদ কুমার বর্মন।

পতাকা বৈঠক শুরু হয় দুপুর ২ টা ৫৫ মিনিটে এবং শেষ হয় বিকাল ৩ টা ১০ মিনিটে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে করলা ক্যাম্পের ইন্সপেক্টর বিনোদ কুমার বর্মন ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে জানান,শিমুলবাড়ী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার নুর-ই-আলম।