মুসলিম যুবতীকে ধর্ষণের পর নৃশংস কায়দায় ফ্রিজে ঢুকিয়ে হত্যা! অবশেষে খোঁজ মিলেছে খুনির

আন্তর্জাতিক অপরাধ ডেস্ক-

এক মুসলিম যুবতীকে অপহরণ-ধর্ষণের পর নৃশংস কায়দায়  হত্যা করে লাশ ফ্রিজে ভরে রাখা হয়। আলোচিত এই নৃশংস ঘটনা ঘটে যুক্তরাজ্যের কেনসিংটনের পশ্চিম কোম্বে লেনের একটি বাড়িতে । গতবছর ১৯ জুলাই ২০১৭ ইং বুধবার শুন্য বাড়িটির ভেতরে ফ্রিজ থেকে তরুনির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ১৯ বছর বয়সী মুসলিম  যুবতীর নাম সেলিন দোখরান।
ঘটনার পর থেকেই রহস্যের খোজে মাঠে নেমেছিলো পুলিশ । তবে মিলছিলোনা কিনারা।

স্কাই নিউজে প্রকাশিত সংবাদ সুত্রে, অবশেষে লন্ডনে সন্দেহভাজন ‘অনার কিলিং’ এর শিকার মহিলার পরিচয় প্রকাশ করেছে পুলিশ। সেলিন দোখরানকে অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যার দায়ে ৩৩ বছর বয়সী মুজাহিদ আর্শিদকে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ।

সেলিন দোখরানকে অপহরণের পর হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়। তার ঘাড়ে মারাত্মক ছুরিকাঘাতের ফলে তার মৃত্যু হয় বলে ময়না তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।

সেলিন দোখরান ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম। ১৯৯৬ সালে ওয়ান্ডসওয়ার্থে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। বড় হয়েছেন সাউথ লন্ডনে। পেশায় ম্যাকআপ এবং কসমেটিক এডভাইজার ছিলেন তিনি।

আরবের মুসলিম এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে অপহরণ এবং ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে  বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত ৩৩ বছর বয়সী মুজাহিদ আর্শিদ

সেলিন দোখরানকে অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যার দায়ে ৩৩ বছর বয়সী মুজাহিদ আর্শিদকে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ। ২০ বছর বয়সী আরেক মহিলাকে অপহরণ এবং ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। মুজাহিদের নির্ধারিত ঠিকানা পায়নি পুলিশ। এই দুই মহিলাকে অপহরণের অভিযোগে অভিযুক্ত আটক অপর ব্যক্তির নাম ভিনসেন্ট তাপ্পু। তার বয়স ২৮ বছর। সে ওয়েস্ট লন্ডনের এ্যাক্টনের বাসিন্দা।