বিনোদনের নামে অশ্লিলতা রাজশাহী পার্কে

ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী: বিনোদনের নামে অশ্লিলতা নতুন শ্বদ নয়। তদুপরি স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরদারীতে অনিয়ম রয়েছে। গনমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পর কিছু দিন নিয়মের মধ্যে থাকলেও পূনরায় যে যার স্থানে।

চার দেয়াল বা আবদ্ধস্থানে প্রেমলীলার আমেজ যেন জমে উঠছে না। এর প্রর্দশ্রনী না করলেও বেমানান মনে হচ্ছে এমনাটাই প্রমান বহন করছে প্রেমিকাদের লীলাখেলা। রাজশাহীর প্রায় বিনোদন পার্কের একই চিত্র লক্ষ করা যায়।

সম্প্রতি মহানগর নওদাপাড়া বড় বনগ্রামে অবস্থিত শহীদ জিয়া শিশু পার্ক বিনোদনের জন্য তৈরী হলেও এখানে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ । পার্কটিতে অসংখ্য প্রেমিক যুগলের অবৈধ সর্ম্পকের চিত্র দেখা যায়। এখানে প্রবেশ মূল্য ২৫ টাকায় দর্শনার্থীরা অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে স্কুল-কলেজ শিক্ষর্থী এবং কিশোর-কিশোরী, যুবক-যুবতীসহ বিভিন্ন পেশা জীবি।

এবষয়ে স্থানীয় সচেতন অভিভাবকরা বলেন, শহীদ জিয়া শিশু পার্কে অসামাজিক কাজের অশ্লিলতা বা অনিয়ম বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। আধুনিকায়নের নামে এ বরবরতা উন্নয়নের একটি বড় বাধা।

শিক্ষার্থীরা তাদের অধ্যায়ন বাদ দিয়ে বা স্কুল কলেজ ফাকি দিয়ে ভুল বসত তারা ওই সকল কাজে লিপ্ত হচ্ছে। কিন্ত উক্ত বিষয়ে প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের কঠর হওয়া প্রয়োজন।

পার্কটির ভিতরে শিশূদের জন্য রয়েছে মেরী গো রাউন্ড, মিনি রেলকার, মনোরেল স্কাই বাইক, ফ্লুম রাইডস, অক্টোপাস, সুপার সুইং, বাম্পার কার, বাম্পার বোট, কিডি রাইডস, ফিজিওলজিক্যাল গেমস, থ্রিডি মুভি থিয়েটার, পেডেল বোট, বাউন্সি ক্যাসেল, হর্স রাইড, ফ্রগ জাম্প, হানি সুইং, প্যারাট্রুপার, টি কাপ ও ব্যাটারী কার।

পার্কটিতে বিনোদনের আকর্ষনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পাওয়ায় দিন দিন এর দর্শনার্থীদের সংখ্যা বিদ্ধি পাচ্ছে। কিন্ত অধিক আয়ের যোগান দিচ্ছে প্রেমিক যুগলদের প্রেমলিলা। তবে শহীদ জিয়া শিশু পার্কের ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত পার্কের মত এখানে অশ্লিলতা হয়না। এবং পার্কের পরিবেশের মান বজায় রাখতে তাদের নিরাপত্তা প্রহরী নিযুক্ত করা আছে।