নোয়াখালীর চাটখিলে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার

মো:ইমাম উদ্দিন সুমন,স্টাফ রিপোর্টার : নোয়াখালীর চাটখিলের ডোবা থেকে নিখোঁজ এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, গতকাল সকালে চাটখিল উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের আমরপুর গ্রামের সিরাজ মেম্বারের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত লাশটি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার নিখোঁজ স্বর্ন ব্যবসায়ী নিতাই চন্দ্র সেনের বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নোয়াখালীর চাটখিলের দুই জন এবং কুমিল্লার লাকসামের তিন জন সহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায় গত ৭ ফেব্রুয়ারী স্বর্ণ ব্যবসায়ী নিতাই দেবনাথ লাকসাম উপজেলার হাশিরপাড় বাজার থেকে তিথি শিপ্লালয়ে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়। এ ব্যাপারে নিতাই দেবনাথের বড় ভাই গৌরাঙ্গ দেবনাথ লাকসাম থানায় একটি জিডি করে। বুধবার সন্ধ্যায় তিথি শিল্পালয়ের পাশের দোকান মা-বোডিং ষ্টোর এর মালিক বেলাল (৩২) কে সন্দেহ জনক ভাবে পুলিশ আটক করে।

আটক বেলাল পুলিশের নিকট নিতাই দেবনাথকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে। আটক বেলালের বাড়ী চাটখিল উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামে।তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক পুলিশ একই ইউনিয়নের সংকরপুর গ্রামের লিটনকে গ্রেফতার করে। এ ছাড়া পুলিশ লাকসাম থেকে মিলন, সাইফুল ইসলাম জুয়েল ও জুয়েল নামের ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃদের তথ্য মতে লাকসাম থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মাতফুজ এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ চাটখিল থানা পুলিশের সহায়তায় চাটখিলের পশ্চিম দেলিয়াই থেকে নিতাই দেবনাথের লাশ উদ্ধার করেছে। নিতাই দেবনাথ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সাইতলা গ্রামের নারায়ন দেবনাথের পুত্র। আটক বিল্লাল জানায়, পাশের ব্যবসায়ী হিসেবে নিতাইর সাথে তার টাকা পয়সার লেনদেন ছিল।

নিতাই তার নিকট থেকে পাওয়া টাকা দাবী করায় ক্ষিপ্ত হয়ে বেলাল তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। বেলাল জানান, গত বুধবার নিতাইকে কৌশলে তার বাড়ী চাটখিলে নিয়ে আসে। আর বুধবার রাতেই বেলাল, লিটনসহ অন্যরা তাকে পিটিয়ে ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বাড়ীর পার্শ্বের পুকুরে বালুর বস্তার সাথে বেধে ফেলে দেয়। নিতাইকে হত্যার পর বেলাল তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মা-বেডিং ষ্টোরে স্বাভাবিক ভাবে ব্যবসা করছিল।