SOMOYERKONTHOSOR

আগৈলঝাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় কলেজ ভিপিসহ আহত ৪

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে : বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ভিপিসহ ৪জনকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। ভিপিসহ ৩জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত ও স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার রামানন্দের আঁক গ্রামে মামা সুব্রত হালদারের বাড়ির একটি অনুষ্ঠানে যায় বড় বাশাইল গ্রামের রমণী ঘটকের ছেলে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি রাজীব ঘটক।

সেখানে মামাদের সাথে বাটরা এলাকার অনিল রায়ের ছেলে রনজিৎ রায়ের একটি পুকুর লিজের মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে মামা সুব্রত হালদারের সাথে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হামলা সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় সুব্রত হালদার, সৈকত হালদারকে পিটিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষরা। হামলা ফিরাতে গেলে প্রতিপক্ষরা ভিপি রাজীব ঘটককে কুপিয়ে জখম করে। প্রতিপক্ষের রনজিৎ রায়ও এসময় আহত হয়। আহত রাজীবসহ ৩জনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আগৈলঝাড়ায় যৌতুকলোভী স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ হাসপাতালে

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে তিন সন্তানের জননীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

হাসপাতালে ভর্তি গৃহবধূ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামের শওকত সরদারের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী কাজল বেগমকে যৌতুক ও বাবার বাড়ির সাথে সম্পর্কের থাকার অজুহাতে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে স্বামী।

কাজল আরও জানান, ১৪ বছর পূর্বে সাধ্যমত যৌতুক দিয়ে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। এরই মধ্যে দাম্পত্য জীবনে তাদের ৩টি সন্তানের জন্ম হয়। বড় মেয়েটি প্রতিবন্ধী। বিয়ের পর থেকে স্বামী শওকত বিভিন্ন অজুহাতে তার বাবার বাড়ি থেকে আরও যৌতুকের দাবি করে তা না পাওয়ায় প্রায়ই নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল।

একারণে স্বামী তাকে মারধর করে অনেকবার বাপের বাড়িও পাঠিয়ে দেয়। যৌতুক চাওয়ার ধারাবাহিকতা ও বাবার বাড়ির সাথে সম্পর্ক রাখার অজুহাতে বৃহস্পতিবার কাজলকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে শওকত। স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় কাজলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

অভিযুক্ত শওকত সরদার সাংবাদিকদের বলেন, তার স্ত্রী কাজল বেগম একজন মানসিক রোগী। সে তাকে মিথ্যা অজুহাতে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এঘটনায় কাজলের বাবার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। শওকতের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে মিমাংসার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।