সংবাদ শিরোনাম
নোবিপ্রবি’তে ‘বিশ্ব ডিএনএ দিবস’ পালিত! | গরমে ভোগান্তি চরমে, শুক্রবার আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা! | নোবিপ্রবিতে ২য় আন্তর্জাতিক ফিসারিজ শীর্ষক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত | ‘একটি ছবি তোলার জন্য অনেক সময় জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়’- তথ্যমন্ত্রী | আমতলীতে জমিজমার বিরোধকে কেন্দ্র করে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে মারধর | জন্মদিন ভুলে যাওয়ায় বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমান করে শিক্ষিকার আত্মহত্যা! | শপথ পড়লেন আমতলী উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা | হবিগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন | ধান ফলায় কৃষক, মুনাফা লুটে মজুতদার ও মধ্যস্বত্ত্বভোগীরা! | কক্সবাজারে বিল বকেয়া থাকার অভিযোগে কয়েকটি মসজিদে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন |
  • আজ ১২ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

লাগামহীন পানের দাম, বিপাকে পিপাসীরা- লাভবান গয়েসু চাষীরা

৭:৫৪ অপরাহ্ণ | শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৮ দেশের খবর, ময়মনসিংহ

শামছুজ্জামান বাবুল, নান্দাইল প্রতিনিধিঃ লাগামহীন ভাবে বেড়েছে পানের বাজার। হঠাৎ এভাবে পানের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে ময়মনসিংহের নান্দাইলের অল্প আয়ের পান পিপাসীরা। দেখা মেলছে না আমুলীদের মূখ ভরে পান ছিবিয়ে গল্পরস।

অধিকাংশ আমুলীরা পান পিপাসায় ভোগছে, বড় পান হাতের নাগালে, ছোট ছোট ঝড়া পানও কিনতে হচ্ছে চার-পাঁচ গুণ দামে। এভাবে পানের বাজার বাড়ায় লাভবান গয়েসু জাতের পান চাষীরা। তবে লালডিঙ্গি জাতের পান চাষীদের হতাশাই বেশি। কারণ শীত কালীন কুয়াশায় ঝরে পড়েছে পান। বৃষ্টি না থাকায় নতুন করে ধরছে না পানপাতা।

পানের দাম বাড়ায় অনেকেই বলছেন, ১কেজি গরুর মাংসের দামে কিনতে হচ্ছে ১বিড়া পান। সর্বনিন্ম ১বিড়া পানের দাম ৪০০ টাকা থেকে ৬০০টাকা। ভালোমানের ১ বিড়া পানের দাম প্রায় ৮০০টাকা থেকে ১১০০টাকা পর্যন্ত। এতে করে পান পিপাসীরা বাজারে পান কিনতে এসে বিপাকে পড়ছেন। গত কয়েক সপ্তাহ আগেও এক বিড়া মাঝারী পান ছিলো ১৫০টাকা থেকে ২৫০টাকায়।

নান্দাইল বাজারের পান ব্যবসায়ী মো. জসীম উদ্দিন জানান, বাজার বাড়ায় বড় পান বড় ব্যবসায়ীরা নিয়ে যায়। মধ্যম পানের বিড়া প্রতি ৫ শত-৮ শত টাকায় ক্রয় করতে হচ্ছে। যে পান গুলো বরজ ওলারা ফেলে দিতেন এগুলোই এখন কিনতে হচ্ছে ২শত থেকে ৩শত টাকা প্রতি বিড়া।

জানাযায়, নান্দাইলে সবচেয়ে বেশি পান পাওয়া যাচ্ছে উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের কালীর বাজারে। এএলাকায় পান চাষের বরজ বেশি। পান চাষী বরিল্যা গ্রামের মো. ছাত্তার মিয়া বলেন, গয়েসু ও লালডিঙ্গি জাতের পানের চাষ এএলাকায় বেশি চাষ করা হয়। কুয়াশায় লালডিঙ্গি পান ঝরে পড়ায় গয়েসু পানের বাজার আকাশ ছোঁয়া। গয়েসু বড় পান পাইকারী বিক্রি হচ্ছে ১৮-২০ হাজার টাকা কুড়ি, লালডিঙ্গি ১০-১২ হাজার টাকা কুড়ি। একাদিক পান চাষীদের সাথে কথা বলে জানাযায়, শীতের সময়ে গয়েসু পান তুলনামূলক অনেক কম ঝরে। এজন্য গয়েসু চাষীরা লাভবান।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাসির উদ্দিন জানায়, পানের দাম বাড়তি থাকায় পান চাষিরা লাভজনক। নান্দাইলে ৭৫ হেক্টর জমিতে পান চাষ হচ্ছে। এ উপজেলায় প্রায় ২২০০টি পানের বরজ রয়েছে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/রাসেল