SOMOYERKONTHOSOR

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ষড়যন্ত্র করে ছাত্রীকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

জাকির হোসেন পিংকু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: ষড়যন্ত্র করে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে ও ভোলাহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিরাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভোলাহাটের বজরাটেক আলিসাহাসপুর গ্রামের আফরোজা খাতুনের পরিবার। রোববার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আফরোজার বোন শাহনাজ খাতুন।

লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, এসআই সিরাজ আমার বোন ভোলাহাট মোহবুল্লাহ কলেজের ডিগ্রী পরীক্ষার্থী আফরোজা খাতুনকে দীর্ঘদিন থেকেই কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ষড়যন্ত্র করে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক উপপরিদর্শক সিরাজ ফোর্স নিয়ে আফরোজার কক্ষে প্রবেশ করে তল্লাশীর নামে আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় সে নিজেই নীল রং এর প্যাকেট বের করে ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে জানায়।

তল্লাশীকালে পরিবারের অনান্য সদস্য ও পার্শ্ববর্তী মহিলাদের উপরও তারা নির্যাতন চালায়। এঘটনায় মা জোসনারা বেগম ও বোন আফরোজা খাতুনকে ধরে থানায় নিয়ে যায় এসআই সিরাজ। পরে রাতে মাকে ছেড়ে দিলেও বোনকে আটকে রাখে। ভোলাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফাছির উদ্দিনকে বিষয়টি জানালে তিনি উল্টো হুমকি দেন। বর্তমানে ষড়যন্ত্রের শিকার আফরোজা চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগারে রয়েছে।

বক্তব্যে দাবী করা হয়, জোরপূর্বকভাবে করা মামলার স্বাক্ষী অলেখা বেগম ও সাবানাকে এখন হুমকি দেয়া হচ্ছে পুলিশের বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দিলে তাদেরও একইভাবে মাদক মামলার আসামী করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি সম্পূর্ণ সাজানো এবং ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে বিষয়টির তদন্ত কওে ষড়যন্ত্রের শিকার আফরোজা খাতুনের মুক্তি ও ষড়যন্ত্রকারী এসআই সিরাজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আফরোজার মা জোসনারা বেগম।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ভোলাহাট থানার ওসি ফাছির উদ্দিন ও এসআই সিরাজ উদ্দিন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তাঁরা বলেন, কোন ষড়যন্ত্র করা হয়নি। আফরোজার ঘরে তল্লাশী চালিয়ে ৯৬ পিস ইয়াবাসহ তাঁকে আটক করা হয়। সে মামলা থেকে বাঁচতে এসবের আশ্রয় নিচ্ছে।