SOMOYERKONTHOSOR

ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে বিয়ের দাবীতে আমরন অনশনে যুবলীগ নেতার স্ত্রী! নেপথ্যে যে ঘটনা…

খোকসা (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা-
রাজনৈতিক মামলায় যুবলীগনেতা স্বামী জেলে থাকার সুবাদে স্থানীয় এক ছাত্রলীগ নেতার সাথে অবৈধ পরকীয়া সম্পর্কে মেতে উঠেন স্ত্রী। ঘটনার জেরে ঐ যুবলীগ নেতা জেল থেকে বেরুনোর পর তালাক দেয় অভিযুক্ত স্ত্রীকে। পরে বিয়ের দাবিতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে অবস্থান নিয়ে আমরন অনশন শুরু করেছেন ঐ যুবলীগ নেতার স্ত্রী। এদিকে বিয়ের দাবীতে এমন অবস্থান নেবার পর থেকেই পুরো পরিবারসহ পলাতক রয়েছেন ঐ ছাত্রলীগ নেতা ।

জানা গেছে, উপজেলা যুবলীগের এক নেতার সঙ্গে প্রায় ১২ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জের এক নারীর বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ১০ বছরের একটি সন্তান আছে। গত বছর ওই নেতা জেলে থাকাবস্থায় তার স্ত্রীর সঙ্গে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সায়েম হোসেন সুজনের পরকীয়া হয়। সম্প্রতি দুজনের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের কিছু ছবি মোবাইলে ছড়িয়ে পড়লে পরকীয়ার সম্পর্কটি জানাজানি হয়ে যায়। এ ঘটনার জের ধরে গত জানুয়ারি মাসে যুবলীগ নেতা তার স্ত্রীকে তালাক দিলে তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জে তার বাবার বাড়িতে চলে যান।

সংসার ভাঙার পর সুজনকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে নানা তালবাহানা শুরু করেন। গত সপ্তাহে সুজন বিয়ে করতে পারবে না বলে ওই নারীকে জানিয়ে দেন। কোন উপায় না পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় ওই নারী চুনিয়াপাড়ায় সুজনের বাড়িতে চলে আসেন। ওই নারীর আসার খবরে সুজনের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে চলে পালিয়ে যান। পরে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর প্রবেশ করেন তিনি। বর্তমানে বাড়িতে তিনি একাই অবস্থান করছেন।

ওই নারী সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, সুজনের সঙ্গে দুই বছর ধরে তার পরকীয়া চলছে। পরকীয়ার কারণেই আগের সংসার ভেঙে গেছে। এখন সুজন বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই সুজনের বাড়িতে অবস্থায় আসতে হয়েছে। তিনি বলেন, আমার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাকে যদি সুজন বিয়ে না করে তাহলে আমি এখানেই আত্মহত্যা করবো।

যুবলীগ নেতা সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, আমি জেলে থাকার সুযোগ নিয়ে সুজন আমার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিষয়টি জানাজানি হলে আমি সুজনের হাত ধরে অনেক অনুরোধ করেছি। ওকে বারবার বলেছি, আমাদের সুখের সংসার ভাঙার দরকার নেই। কিন্তু দুজনই আমার কথা শুনেনি। আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই নারী সুজনের বাড়িতেই অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা সায়েম হোসেন সুজনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।