SOMOYERKONTHOSOR

বেঁচে আছেন কেবিন ক্রু নাবিলা

সময়ের কণ্ঠস্বর- নেপালে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের কেবিন ক্রু শারমিন আক্তার নাবিলা বেঁচে আছেন।

কাঠমান্ডু মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড টিচিং হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন সেখানকার এক মুখপাত্র শর্মিলা। শারমিন আক্তার নাবিলা হাসপাতালটির প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন।

ইউএস বাংলার দেওয়া যাত্রী ও ক্রুদের তালিকায় ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান, ফার্স্ট অফিসার প্রিথুলা রশিদ, ফ্লাইট অ্যাটেন্ড্যেন্ট খাজা হোসেন মোহাম্মদ শাফির সঙ্গে শারমিনের নামও ছিল।

ফার্স্ট অফিসার প্রিথুলা রশিদ, ফ্লাইট অ্যাটেন্ড্যেন্ট খাজা হোসেন মোহাম্মদ শাফির মারা যাওয়ার খবর সোমবার পাওয়া যায়। আর ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানের নিহত হওয়ার খবর আসে মঙ্গলবার।

এদিকে নাবিলার স্বজনরা জানান, সোমবার দুপুরের ফ্লাইটে নেপাল যাওয়ার কথা ছিল নাবিলার এবং তার ফোনটি দুপুর থেকেই বন্ধ। বিধ্বস্ত উড়োজাহাজে সাধারণ যাত্রী, পাইলট ও ক্রু’দের যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানেও নেই নাবিলার নাম।

প্রকাশিত তালিকায় ৩৫ ও ৩৬ নম্বর নামে ভুল থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন নাবিলার বড় ভাই নাদিম সরকার। তিনি বলেন, তালিকায় থাকা ৩৫ নম্বরে মি. খাজা হুসাইন (ক্রু) যাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। পরের নামটি কে.এইচ.এম শাফি (ক্রু)। ৩৫ ও ৩৬ নম্বরে একই ব্যক্তির নাম দু’বার এসেছে বলে সন্দেহ করছেন তিনি। মি. খাজা হুসাইন এর সংক্ষিপ্ত রুপ কে.এইচ.এম বলে ধারণা করছেন তিনি। তার ধারণা ৩৬ নম্বর নামটি হবে তার বোনের।

এদিকে শারমিনের মৃত্যুর খবর শুনে সোমবার তার দুইবছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যায় বাসার কাজের বুয়া। এ নিয়ে উত্তরার পশ্চিম থানায় একটি জিডি করা হয়। পরে মঙ্গলবার মেয়েটিকে উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, নিহত কেবিন ক্রুর মেয়েকে কাজের লোক নয়, খালা নিয়ে গেছেন।

উল্লেখ্য, চার জন ক্রু ও ৬৭ যাত্রীসহ মোট ৭১ জন আরোহী নিয়ে গত (সোমবার) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে পৌঁছায়। অবতরণের সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা ২৬ জন বলে জানিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

রবি