SOMOYERKONTHOSOR

বিশ্বের যেসব দেশ ভ্রমণে ভিসা লাগে না…..

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- বিশ্বের এমন অনেক দেশ আছে যেখানে আপনি ঘুরতে যেতে চাইলে ভিসার দরকার পড়বে না। ওই দেশগুলোর এয়ারপোর্টে নেমে আপনি আপনার কাংঙ্খিত ভিসাটি সঙ্গে সঙ্গেই হাতে পেয়ে যাবেন। আর এই ভিসার জন্য আগে থেকে আবেদন করতে হবে না। এমন ৫৭টি দেশ রয়েছে।

যেসব দেশে যেতে ভিসা লাগবে না :

ভুটান, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ফিজি, গ্রেনাডা, হাইতি, জামাইকা, মরিশাস, মাইক্রোনেশিয়া, নেপাল, সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট এন্ড দ্য গ্রেনাদিনেস, ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো, ভ্যানুয়াতু, হং কং, দক্ষিণ কোরিয়া, মেসিডোনিয়া, টার্কিস এন্ড কাইকোস আইল্যান্ড, মন্টসেরাত, শালবার্ড।

যেসব দেশে ই-ভিসা লাগে :

জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, সাও তামি এন্ড প্রিনসিপি, রাওয়ান্ডা, মিয়ানমার, মলদোভা, কেনিয়া, জর্জিয়া, গ্যাবন, কটে দিলভোরি, বাহরাইন।

যে সব দেশে এয়ারপোর্ট থেকে ভিসা মিলে:

বলিভিয়া, কম্বোডিয়া, ক্যাপে ভারদে, কমোরস, জিবুটি, ডোমিনিয়া, ইথিওপিয়া, গিনি-বিসাউ, গুয়ানা, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডন, লাওস, মাদাগাসকার, মালডিভস, মরিতানিয়া, পালাউ, সেন্ট লুসিয়া, সেনেগাল, সেচেলিস, সোমালিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, টিমোর লেসতে, তুভালু, উগান্ডা, অ্যান্টার্কটিকা

পারমিট লাগে যে সব দেশের:

শ্রীলঙ্কা ও সামোয়া।

সেরা মেধাবীদের দীর্ঘ মেয়াদী ভিসা দিচ্ছে চীন

বিদেশ থেকে সেরা মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে চীন দীর্ঘ মেয়াদী ভিসা দেয়া শুরু করেছে যাতে তারা সেখানে কাজ করতে পারেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে এই মাল্টি এন্ট্রি ভিসা পাঁচ থেকে দশ বছর মেয়াদী। বিশেষ করে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা এবং বিজ্ঞানীদের আকৃষ্ট করতে চাইছে দেশটি।

চীন তার অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নের জন্য যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তা বাস্তবায়নে বিদেশ থেকে সেরা মেধাবীদের আকৃষ্ট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। এই দীর্ঘমেয়াদী ভিসা দেয়ার উদ্যোগ যখন প্রথম নেয়া হয়েছিল, তখন চীন বলেছিল প্রায় ৫০ হাজার বিদেশি এর সুযোগ পাবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন:
চীনের এই দীর্ঘমেয়াদী ভিসার আবেদন অনলাইনেই করা যায়। চীন সরকার বলছে, এর জন্য কোন ফি নেয়া হয় না এবং খুব দ্রুত এসব আবেদন বিবেচনা করা হয়। যাদের ভিসা দেয়া হবে তারা একদফায় একটানা ১৮০ দিন করে চীনে থাকতে পারবেন । তারা তাদের স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েদের চীনে আনতে পারবেন।

২০১৬ সালে চীন একটি সূচক প্রকাশ করেছিল যেখানে দেশটিতে কোন ধরণের বিদেশি কর্মী দরকার তা চিহ্ণিত করা হয়েছিল। সেখানে অদক্ষ কর্মীর সংখ্যা কমিয়ে মেধাবী বিদেশি কর্মীদেরই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।

চীনা সরকারের একটি দলিলে এই সেরা মেধাবীদের তালিকায় যাদের কথা উল্লেখ করা আছে তাদের মধ্যে আছে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, সফল অলিম্পিক অ্যাথলীট এবং সঙ্গীত বা শিল্পকলার বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালকরা।

শীর্ষ বিজ্ঞানী, বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরাও এই তালিকায় আছেন।

রবি