‘আমরা যদি আন্দোলন গড়ে তুলি, পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না’

সময়ের কণ্ঠস্বর-  “প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন। কিন্তু আমাদের ভিন্ন পরিচয় দিয়ে আন্দোলন ভিন্নপথে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে। আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা এসব করছেন, তাদের বলি, আমরা যদি আন্দোলন গড়ে তুলি, পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না।”

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা এসব কথা বলেন।

তাঁরা বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল জামায়াত-শিবির বলে পরিচয় করিয়ে দিতে উঠেপড়ে লেগেছে। এটি পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য এটি করা হচ্ছে। এ ধরনের বিষয় প্রচার করা হলে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলব।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে তুমুল আন্দোলনের মধ্যে গত ১২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে ‘কোটা থাকার দরকার নাই’ বলে বক্তব্য দেয়ার পর স্থগিত কয়েছে আন্দোলন। তবে এর মধ্যে আন্দোলনকারীরা বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন দুই মামলা নিয়ে।

সংবাদ সম্মেলনে কোটা আন্দোলনকারীদের নেতা বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর হোসেন বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনে আমাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভিত্তিহীনভাবে যে অজ্ঞাতনামা মামলা দিয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারা তা এখনো প্রত্যাহার করেনি। আগামী দুই দিনের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যে অজ্ঞাতনামা মামলা দিয়েছে তা প্রত্যাহার না করলে ছাত্রসমাজ আবার আন্দোলনে নামবে।’

পরিষদ যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ইত্তেফাকে আমাকে জামাত-শিবির পরিচয় দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। যাসম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  পুরো প্রতিবেদন মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভরা। এমনকি আমার বাবার নামও ভুল লেখা হয়েছে।

সংগঠনের নেতারা বলেন, আজ (সোমবার) বিকেল পাঁচটার মধ্যে ইত্তেফাক পত্রিকা তাদের প্রতিবেদন প্রত্যাহার না করলে কাল থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পত্রিকা বর্জন করা হবে। 

আরআই