সৎ মার নির্যাতনে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে শিশু ফেরদৌসি!

জাহিদ হোসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:টিইবওয়েল হতে পানি নিয়ে বাড়িতে আসতে দেরি হওয়ায় সৎ মার নির্যাতনে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে ১০ বছরের শিশু ফেরদৌসি আক্তার প্রিয়া।

সে সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের রামনাথর গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদারের মেয়ে।

শিশু ফেরদৌসির মামা শরিফুল ইসলাম বলেন, আমার বোনের নওয়াপাড়া ইউনিয়নের রামনাথর গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদারের সাথে বিয়ে হয়। তাদেও পরিবারে পরপর ৪ মেয়ে জন্ম গ্রহণ করে। বিষয়টি নিয়ে সংসারে অশান্তি শুরু হয়। ছোট মেয়ে ফেরদৌসির বয়স যখন দেড় বছর তখন আমার বোন আতœহত্যা করে। পরে আমার ভগ্নিপতি উপজেলার আলিপুরের ফিরোজা খাতুনকে বিয়ে করে। এরপর হতে ফিরোজা খাতুন সংসারের কাজ আমার ভাগনিদেরকে দিয়ে করিয়ে নেওয়া শুরু করে। কারণে অকারণে তাদেরকে মারপিট করতে থাকে। শুক্রবার বিকালে ফেরদৌসি বাড়ির পার্শ্ববর্তী টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে যায়। সে একটু দেরি করে বাড়িতে আসামাত্রই কাঠের পিড়ি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। একপর্যায়ে ফেরদৌসি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তার চাচা আব্দুর রহমান সরদার তাকে গাজীরহাটস্থ একটি বেসরকারি কিনিকে নিয়ে চিকিৎসা করিয়ে বাড়িতে আনে। কিন্তু বাড়িতে আনার পর তার প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। কিন্তু স্ত্রীর ভয়ে তার সুচিকিৎসা করাতে পারেনি তার বাবা আব্দুল মজিদ সরদার। ঘটনাটি জানতে পেরে আমি বৃহস্পতিবার তাদের বাড়িতে যায় এবং তাকে এনে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করেছি। একই সাথে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি।

দেবহাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) শরিফুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আহত মেয়েটির মামা শরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/ফয়সাল

Leave a Reply