চুয়াডাঙ্গায় দুই দিনে ৩২৭টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

শামসুজ্জোহা পলাশ, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি- চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থেকে এক দিনের ব্যাবধানে ভারতে পাচারের সময় আবারও সোনার চালান আটক করতে সক্ষম হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)। আজ শুক্রবার সকাল ৬ টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর কাঠারতলা নামক স্থানে একটি যাত্রীবাহি বাসের যাত্রী সোনা পাচারকারী শাহীনের (৩২) কাছ থেকে সোনার চালানটি আটক করা হয়। শাহীন টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার গোল্লা মুনছুর গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে।

চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি’র উপ-পরিচালক লুৎফুন কবির জানান, আজ শুক্রবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি এক সোনা পাচারকারী ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সোনার একটি চালান নিয়ে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সীমান্তের দিকে যাচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কাঠালতলা নামক স্থানে অবস্থান নেয়। চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহি বাস নিউ মর্ডান সকাল টার দিকে কাঠালতলায় পৌছালে বিজিবি সদস্যরা বাসটি দাড় করিয়ে যাত্রী বেশে থাকা সোনা পাচারকারী টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার গোল্লা মুনছুর গ্রামের আমির উদ্দিনের ছেলে শাহীনকে আটক করে। পরে বিজিবি সদস্যরা উপস্থিত লোকজন ও উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তার দেহ তল্লাশী করে ৭ টি সোনার (বিস্কুট) বার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। সোনার বারগুলোর ওজন ৭০ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩৫ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল বুধবার দুপুরে ভারতে পাচারের সময় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা নাস্তিপুর সীমান্তের মাথাভাঙ্গা নদী থেকে প্রায় ১৬ কোটি টাকা মূল্যের ৩শ২০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোনার বারগুলোর ওজন ছিল ৩৭ কেজি। বৃহত সোনার এ চালানটি মাথাভাঙ্গা নদীতে ফেলে পাচারকারী ৩ জন ভারতে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি। একদিনের ব্যবধানে মোট ৩২৭টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করল বিজিবি।

Leave a Reply