৩য় বারের মত পেছাল শুনানি: খালেদার ৩ মামলার জামিন বিষয়ে সিদ্ধান্ত রোববার

সময়ের কণ্ঠস্বর :: বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যার অভিযোগে একটি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে কুমিল্লা এবং নড়াইলের মানহানির মামলা সহ তিনটি মামলায় বিএনপি চেয়ারারসন খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদনের শুনানি ফের রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেছে হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের বেঞ্চে এ মামলায় তৃতীয় দিনের মতো আংশিক শুনানি শেষে এ মুলতবি করেন।

এর আগে মঙ্গলবার ও বুধবারও পিছিয়ে দেয়া হয় জামিন শুনানি। বিচারপতিবৃন্দ তিন মামলায় জামিনের বিষয়ে শুনানি একসাথে রোববার ধার্য করেছেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে রবিবার (২০ মে) কুমিল্লার দুটি ও নড়াইলের একটি মামলায় জামিন আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। মামলা তিনটি সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের সোমবারের (২১) কার্য তালিকায় ছিল। সোমবার শুনানি করতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল প্রস্তুতির জন্য সময় চান। এরপর আদালত শুনানির জন্য মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার সময় নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত দিনে শুনানি শেষ না হওয়ায় আবারও বুধবার দিন ঠিক করেন আদালত। বুধবারও শুনানি শেষ না হওয়ায় সর্বশেষ আজ শুনানির কথা থাকলেও শুনানী হয়নি।

প্রসঙ্গত, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা দুটি মামলা এবং নড়াইলে মানহানির অভিযোগে একটি মামলা হয়।

এছাড়াও, গত ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছর এবং অন্য আসামিদের ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। রায়ের পর খালেদা জিয়াকে রাখা হয়েছে পুরান ঢাকার পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। গত ১২ই মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন। গত ১৭ই মে আপিল বিভাগ এক রায়ে খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রাখেন। পাশাপাশি সাজার রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানি আগামী ৩১শে জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। তবে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন বহাল থাকলেও অন্য মামলায় খালেদা জিয়াকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোয় তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা।