বিশ্বকাপে কিন্তু থাকছে বাংলাদেশ

স্পোর্টস্ ডেস্ক :: রাত পোহালেই রাশিয়া বিশ্বকাপ। সেখানে বাংলাদেশ নেই। তা থাকারও কথা নয়। আগামী ৫০ বছর পরেও লাল সবুজরা বিশ্বকাফপ ফুটবলে খেলবে কি না তাও বলা দুষ্কর।

তবে সরাসরি না থাকলেও রাশিয়া বিশ্বকাপে পরক্ষোভাবে থাকছে বাংলাদেশের উপস্থিতি। কিছুদিন আগেই ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ইংল্যান্ড দল কিংবা মেসিদের জ্যাকেটে আছে বাংলাদেশের নাম।

এবার যুক্ত হলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সদস্য এবং ফিফা কাউন্সিল মেম্বার মাহফুজা আত্তার কিরন ও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে ইমাম হোসেন অমিত। কিরণ এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ভেন্যূ একতেরিনবার্গের গুড উইল অ্যাম্বাসেডর। এছাড়া অন্য ১০ ভেন্যুর অবজারবার। এটা বাংলাদেশের জন্য বিশাল সম্মানের।

এছাড়া আরেকটি মর্যাদায় যোগ হলেন আরেক বাংলাদেশী। তিনি রাশিয়া বিশ্বকাপের ভলেন্টিয়ার বা স্বেচ্ছাসেবক। নাম ইমাম হোসেন অমিত। ঢাকার কেরানীগঞ্জের এই ছেলে লেখা পড়া করছেন রাশিয়ার স্টেট ইউনিভার্সিটির হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং অ্যান্ড ট্যুরিজম বিষয়ে। দুই বছর আগে ফিফা অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেয় রাশিয়া বিশ্বকাপের স্বেচ্ছাসেবকের জন্য। তাতে ১ লাখ ৭০ হাজার ৪০ জন আবেদনকারীর মধ্যে যে ১৭ হাজার ছেলে মেয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ন হয়েছেন তাদেরই একজন এই ইমাম হোসেন অমিত।

বিশ্বকাপ চলার সময় তার কর্মক্ষেত্র হবে সেন্ট পিটার্সবার্গ। অমিতের সব কাজই মস্কোতে। এখন তার দায়িত্ব বুনুকোভা বিমানবন্দরে। যে সব বিদেশী বিশ্বকাপ উপলক্ষে আসছেন বিমান বন্দরে তাদের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। এরা চলে যাওয়ার সময়ও একই ভূমিকায় থাকবেন। খেলা শুরু হয়ে গেলে মস্কোর দুই স্টেডিয়াম স্পাটার্ক মস্কো এবং লুজনিয়াকি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে যে অনুষ্ঠান হবে সেখানে তাকে দেখা যাবে স্বেচ্ছাসেবকের পোশাক গায়ে।

এই দায়িত্বের জন্য অবশ্য ড্রেস ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছেন না ইমাম হোসেন অমিত। অবশ্য তাতেই খুশী তিনি। জানান, ‘এতে আমার ভিন্ন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা তা। নানান দেশের মানুষদের সাথে পরিচিত হতে পারছি। বড় বড় সেলিব্রেটিকে পাচ্ছি। তাদের সাথে ছবি তোল হচ্ছে।’

প্রথমে ইংরেজী ভাষার উপর পরীক্ষা হয় তাদের। এরপর স্কাইপিতে ইন্টারভিউ। কিভারে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতে হবে এর উপর প্রশিক্ষন হয় ৪ দিনের। এতে পাশ মার্ক পান অমিত। স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নেয়াদের মধ্যে ৭ শতাংশ বিদেশী। মোট এগারো শত স্বেচ্ছাসেবক আছেন বিদেশী কোটায়। ১১২ দেশ থেকে নেযা হয় এই স্বেচ্ছাসেবকদের।