৮৫ ভাগ শুটিং করেও ‘নোলক’ থেকে পরিচালক বাদ

বিনোদন ডেস্ক- গেল ডিসেম্বর মাসে শুরু হয় শাকিব খান অভিনীত ‘নোলক’ ছবির শুটিং। টানা ৩২ দিন শুটিং চলে ভারতের রামুজি ফিল্ম সিটিতে। তখন ছবির ৮৫ ভাগের বেশি শুটিং শেষ হয়।

প্রায় সাতমাস বিরতি দিয়ে শেষ পর্যায়ে ‘নোলক’ ছবির পরিচালনা থেকে বাদ পড়লেন পরিচালক রাশেদ রাহা। তাকে বাদ দিয়েই ছবির শুটিং শেষ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জানালেন তরুণ এই নির্মাতা।

আজ রোববার বিকেলে ছবির প্রযোজক সাকিব ইরতেজা চৌধুরী সনেটের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিচালক সমিতি এবং প্রযোজক-পরিবেশক সমিতিতে অভিযোগ দায়ের করেন রাশেদ রাহা।

ছবিটিতে অংশ নিয়েছেন শাকিব খান, ববি, ওমর সানি, মৌসুমী, তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, রেবেকা, কলকাতার রজতাভ দত্ত, সুপ্রিয় দত্তসহ আরও অনেকেই।

অভিযোগে রাশেদ রাহা লিখেন, ‘যথাবিহীত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি রাশেদ রাহা। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির একজন সদস্য। আমি ২৩/১১/২০১৭ তারিখে ‘নোলক’ নামে একটি চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে নিবন্ধন করি। দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশন সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে বর্ণাঢ্য মহরতের মাধ্যমে আমার ওপর ছবিটি পরিচালনার দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়। শতভাগ আন্তরিকতার সঙ্গে ইতোমধ্যে ছবির ৮৫ ভাগ শুটিং সম্পন্ন করেছি। গত ১ ডিসেম্বর থেকে টানা ২৮ দিন ছবির শুটিং হয়েছে ভারতের হায়দরাবাদ রামোজি ফিল্ম সিটিতে। অভিনয়শিল্পীরা ছিলেন-শাকিব খান, ববি, ওমর সানি, মৌসুমী, তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, রেবেকা, কলকাতার রজতাভ দত্ত, সুপ্রিয় দত্ত, অমিতাভ ভট্রাচারিয় প্রমুখ।

রাশেদ রাহা লিখেন, ‘ছবির বাকি অংশের শুটিং করার জন্য আমি অনেকদিন থেকেই প্রস্তুত। কিন্তু মাসখানেক আগে এ ছবির প্রযোজক সাকিব ইরতেজা চৌধুরী (সনেট)-এর পক্ষ থেকে বাকি অংশের শুটিংয়ের জন্য  পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে পরামর্শ করতে বলা হয়। ছবির নির্মাণকৌশল ও গোপনীয়তা বজায় রাখার স্বার্থে কারও সঙ্গে পরামর্শ করতে আগ্রহী ছিলাম না।

বিভিন্ন সূত্রে হঠাৎ জানতে পারি, আমাকে ছাড়াই পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীকে দিয়ে নোলক ছবির বাকি অংশের কাজ শেষ করার জন্য প্রযোজক ইতোমধ্যেই একটি দল নিয়ে গতকাল (২১ জুলাই) কলকাতায় পৌঁছেছেন। পুরো ব্যাপারটা ঘটেছে আমার অজ্ঞাতে’।

 এ বিষয়ে পরিচালক ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তার মুঠোফোনে কল করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ সম্পর্কে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন বলেন, কিছুক্ষণ আগে আমি অভিযোগপত্র হাতে পেয়েছি।

“অভিযোগ পাওয়ার পর আমি ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। তাকে না পেয়ে তার প্রোডাকশন ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেছি। এখনো ইফতেখার চৌধুরীর সঙ্গে কথা হয়নি। রাশেদ রাহা অনেকখানি ছবির কাজ শেষ করেছেন বলে জেনেছি। নতুন একটা ছেলে, তাকে সাহায্য না করে বিপদে ফেলার কোনো মানে হয় না। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অনুমতি ছাড়া অন্য পরিচালককে দিয়ে কাজ করানো যাবে না। এটা নিয়মেও নেই।”

Sharing is.

Share on facebook
Share with others
Share on google
Share On Google+
Share on twitter
Share On Twitter
  • You May Also Like:
  • Top Views
আলোচিত বাংলাদেশ

চকবাজারে ড. কামাল

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক :: চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পেছনে মূল কারণ এবং দায়ীদের