ওয়ানডেতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে মন্থরতম সেঞ্চুরি তামিমের

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- গায়নার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাটিং নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন এনামুল হক বিজয়। পরে তামিম এবং সাকিব মিলে দলকে একটি বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান।

নড়বড়ে শুরুর পর নিজেদের সহজাত ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। ভাগ্যকে পাশে পাওয়া দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান গড়েন শতরানের জুটি। তাদের দৃঢ়তায় বড় সংগ্রহের দিকে এগোয় বাংলাদেশ দল। দ্বিতীয় ওভারে এনামুল হক ফিরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১ রান। সেখান থেকে ২৬তম ওভারে দলের সংগ্রহ তিন অঙ্কে নিয়ে যান তামিম-সাকিব। ১৪৭ বলে তারা শতরানের জুটি গড়েন।৮৭ বলে আসে তামিমের পঞ্চাশ, সাকিবের লাগে ৬৮ বল।

দ্বিতীয় উইকেটে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জুটির রেকর্ড গড়েন তামিম-সাকিব। ২০১০ সালে ডাম্বুলায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ইমরুল কায়েস ও জুনায়েদ সিদ্দিকের ১৬০ রান ছাড়িয়ে যান তারা।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি পাওয়া হয় নি সাকিব আল হাসানের। দেবেন্দ্র বিশুকে ঠিক মতো সুইপ করতে না পেরে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। সাকিবের ব্যাটের কানায় লেগে সহজ ক্যাচ যায় শিমরন হেটমায়ারের হাতে। ১২১ বলে ৬টি চারে ৯৭ রান করে ফিরে যান সাকিব।

কিন্তু ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি পান তামিম ইকবাল। তিন অঙ্কের দেখা পেতে বাঁহাতি এই ওপেনারের লাগে ১৪৬ বল। ওয়ানডেতে এটাই বাংলাদেশের মন্থরতম সেঞ্চুরি। তিন অঙ্কে যেতে তামিম হাঁকান ৭টি চার ও একটি ছক্কা।

৫০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২৭৯ রান করে বাংলাদেশ। ১৬০ বলে ১০ চার ও তিন ছক্কায় ১৩০ রানে অপরাজিত থাকেন তামিম।