উচ্চ আদালতের রায় না মানায় আন্দোলনের যাওয়ার কর্মী সভা

স্টাফ রিপোর্টার: চট্টগ্রাম কোষ্টার হেজ ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি: ১৪০৫ ৩নং ফকির হাট সংগঠনের কার্যালয়ে সংগঠনের কর্মী বাকের এর সঞ্চালনায় এক মাথায় পিতা বেঁধে কঠোর আন্দোলনের যাওয়ার কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. জেবল হক, উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবীর শফি, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল হক বাবুল, সহ-যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহজাহান, যোগাযোগ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন (ফাইল), কার্যকরী সদস্য মো. ইউসুফ, মো. আবুল কাশেম, মো. টিটু, কর্মী নেতা কামাল উদ্দিন সবজি, মো. বাবর, নূর উদ্দিন, কবীর পাঠান, এমদাদুল হক সুমন সহ শ্রমিকেরা উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবীর শফি বলেন, আমরা উচ্চ আদালতের রায় পাওয়ার পরও কিছু কুচক্রী মহলের কারণে লাইটারহেজ মালিকপক্ষ শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও জীবিকা নির্বাহের প্লেট নিয়ে টালবাহানা করছে, তবে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন না করলে আমরা খুবই শীঘ্রই কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।

এতে করে সরকারের কোন ভাবমূর্তি নষ্ট হলে তার জন্য দায়ী থাকিবে লাইটাহেজ মালিকপক্ষ ও মহানগর নেতারা। সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল হক বাবুল বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে এবং আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এদেশে বসবাস করতে পারবেন না।

কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কখনো অপরাধকে ক্ষমা করেন না। তিনি আরো বলেন গত ১৬ই জুলাই নগর পিতা চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনকে আমার উচ্চ আদালতের রায় পেয়ে সংগঠনের শ্রমিকরা স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারক লিপি গ্রহণ করে সিটি মেয়র শ্রমিকদেরকে মিডিয়া কর্মীর উপস্থিতিতে ওয়াদ দিয়েছিলেন যেহেতু তোমরা ন্যায্য অধিকার ও উচ্চ আদলতের রায় বাস্তবায়ন হবে।

কারণ আইন ও আদালতের উর্দ্ধেকেউ নয়। উচ্চ আদালতে যে রায় দিয়েছে তা বহাল থাকবে বলেছিলেন। বড় দুঃখের বিষয় এর পর বারবার সিটি মেয়র এর সাথে যোগাযোগ করলেও এখনও তিনি উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন করেননি বলেন। কামাল উদ্দিন ফাইল বলেন, আমরা রাজাকার নয়, বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। প্রয়োজনে আমরা শ্রমিকেরা কাফনের কাপড় নিয়ে রাস্তায় শুয়ে পড়বো।

সহ-যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহজাহান বলেন, মালিকপক্ষ কিছু কুচক্রী মহল দালাল দিয়ে আমাদেরকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এই হুমকিতে কোন কাজ হবে না। মালিকপক্ষ যে হোকনা কেন উচ্চ আদালতের রায় না মেনে পারবে না।

কর্মী নেতা কামাল উদ্দিন সবজি বলেন, আমরা ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করেছি সে মুক্তিযোদ্ধার মাধ্যমে আমাদের সংগঠনের ন্যায্য অধিকার আদায় করবোই। সভার সভাপতি জেবল হক বলেন, মালিক পক্ষ উচ্চ আদালতের রায়কে অমান্য করে শ্রমিকদেরকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করায় আজ শ্রমিকদের দু:খ কষ্টের শেষ নেই। যাহা ভাষা প্রকাশ করা যায় না।

বর্তমানে বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তিদের অনুদানে চলছে শ্রমিকদের জন্য নোঙ্গরখানা চলছে আপনারা সকল শ্রমিকগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগঠন কার্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন। আগামী শুক্রবারের পরে যে কোন মুহুর্তে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।