মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া”র (মাওয়ায়) আটকে পড়েছে দীর্ঘ ট্রাকের সারি

৭:০৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৮ সমস্যা ও সমাধান

মোঃ রুবেল ইসলাম, তাহমিদ (মুন্সীগঞ্জ):বৃহস্পতিবার নদীপথে প্রচুর পরিমানে স্রোতের কারনে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া”র (মাওয়ায়) আটকে পড়েছে দীর্ঘ ২কিলো, মিটার ট্রাকের সারি। ফলে কয়েক কোটি টাকার কাচাঁমাল পঁচে যাওয়ার আশঙ্কাসহ বিপাকে পড়েছে ট্রাক ড্রাইভাররা। কেউ কেউ ৩ দিন ধরে আটকা আছে মাওয়া ঘাটে।এদিকে দেশে দ্রব্যমূল্যর দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ফায়দা লুটছে।

মাওয়ায় আটকে পরা ট্রাক চালকরা জানান, এখন পার্কিং করা গাড়িও নিরাপদ নয়,দিনের বেলায় যেমন,রাতের বেলায় চুরি ছিনতাই হয়ে থাকে,এবং তিন দিন ধরে আটকে থাকায় কাচাঁমাল সবই পচে যাচ্ছে। 

প্রশ্ন রেখে চালকরা জানান, অতিরিক্ত এ দিনগুলো সেই সাথে ভাড়া, খাবার ও অন্যান্য খরচতো আছেই। এদিকে মাঝ নদীতে ফেরি ডুবোচরে আটকে পড়ায় কারণে বৃহস্পতিবার ,সন্ধ্যা রাত থেকে গবির রাত পর্যন্ত শিমুলিয়া ঘাটে শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যানসহ যাত্রীবাহী ছোট-বড় সব ধরণের যানবাহন মিলিয়ে প্রায় ৫শত যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় ছিল বলে ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।তবে বিআইডব্লিউটিসি ফেরী কর্তৃপক্ষ বলছে,পদ্মা নদীতে যথোপযুক্ত পানির ড্রাফট বা গভীরতা না থাকার কারণে ইতিমধ্যেই এ রুটের মোট ১৮টি ফেরীই গত দেড় মাস আগে থেকে সম রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির মাওয়াস্থ সহকারী মহা ব্যবস্থাপক শাহ বরকতুল্লাহ জানান, দু’পারে আটকা পড়েছে দীর্ঘ ট্রাকের লাইন। ট্রাকগুলো ফেরি পার হয়ে মাওয়া প্রান্তে আসতে, নদীতে প্রচুর পরিমানে ¯্রত সেই সাথে লৌহজয় টানিংপয়েন্টে পানির গভিরতা কম থাকায় আতঙ্কে গন্তব্যে রওয়ানা দিচ্ছে হিমসিমে। তবে শিমুলিয়া থেকে গতকাল গভীর রাতে কিছু ট্রাক ওই পাড়ে বা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে তা পরিমানের চেয়ে কম। তবে নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।

এদিকে পালাক্রমে পদ্মা নদীতে যথোপযুক্ত পানির ড্রাফট বা গভীরতা না থাকার কারণে ইতিমধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার শিমুলিয়ায় বিআইডব্লিউটিএর কনফারেন্স রুমে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এক বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহানখান বলেন

ছোট ছোট ফেরি দিয়ে এখন নৌরুট সচল রাখা হয়েছে। অন্যদিকে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ী নৌরুটে ড্রেজিংয়ের কারনে ফেরি চলাচল ব্যহত হচ্ছে মারাত্বক ভাবে বিঘিœত হওয়ায় এ নৌরুট দিয়ে যাতায়াতকারী বিভিন্ন যানবাহন এখন বিকল্প রুট চলাচল করতে পরামর্শর কথাতুলে ধরে।মন্ত্রী আরো বলেন অতি অল্প সময়ের মধ্যে পদ্মার লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক সায়েলা ফারজানা, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যন মোঃমোজাম্মেল হক পদ্মা বহুমুখী সেতু পুকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম, সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মোঃ কাদের,লৌহজং থানা ওসি লিয়াকত আলী, ইউনো মোঃ মনির হোসেন,মাওয়া বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম (বাণিজ্য) মোঃ শাহ বরকতুল্লাহ মাওয়া বন্দর কর্মকর্তা মহিউদ্দিন, ট্রাফিক পুলিশ ইন্সপেক্টর (টিআই) এইচ এম ছিদ্দিকুর রহমান, মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ, শ্বরজিৎ কুমার ঘোষ, প্রমুখ ।

Loading...