রাত নামলেই ডাকাত-ছিনতাই কারীদের দখলে ‘ভৈরব-ময়মনসিংহ মহাসড়ক’

মোহাম্মদ আরীফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ হাওড় অঞ্চল থেকেঃ ভৈরব-ময়মনসিংহ মহাসড়ক রাত নামলেই ডাকাত ও ছিনতাই কারীদের দখলে চলে যায়।এই সড়কটিতে প্রতিদিনই কোন না কোন ডাকাতি কিংবা ছিনতায়ের কবলে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। যার ফলে রাতে এই সড়কে যাতায়াত করতে গিয়ে যাত্রীরা থাকেন চরম আতঙ্কে।

স্থানীয়রা বলেন, পুলিশ প্রশাসনের খাম-খেয়ালীপনা আর উদাসীন মনোভাবের ফলে এই মহাসড়কটিতে নিয়মিত ছিনতাই, ডাকাতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। পুলিশ প্রশাসনের নজরদারিতা বাড়িয়ে দিলে এই সড়কে ডাকাতি ও ছিনতায়ের ঘটনা ঘটার কথা নয়। সন্ধার পর থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত মহাসড়কটিতে বাস, ট্রাক, সি.এন.জি ও মটর সাইকেল থামিয়ে একাধিক সংঘবদ্ধ ডাকাত দল নিয়মিত ডাকাতি করে আসছে। ভৈরবের পানাউল্লার চর, কালিকাপ্রাসাদ, পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ি। এবং কুলিয়ারচরের লক্ষ্মীপুর, বক্তর মারা ব্রীজ, দ্বাড়িয়াকান্দি ব্রীজ, মনোহরপুর বটতলা সহ আগরপুর নামক স্থানে ঘটে থাকে ডাকাতি ও ছিনতায়ের ঘটনা।

বুধবার (১০ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে দৈনিক কালের কন্ঠের হাওড় অঞ্চল প্রতিনিধি নাসরুল আনোয়ারের উপর এক দল ছিনতাইকারী আক্রমন করে ক্যামেরা, মোবাইল, এটিএম কার্ড, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় নাসরুল আনোয়ার বাধা দিলে ছিনতাই কারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আহত করে। ইতিপূর্বে এ সড়কটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রীসহ দুইজন সংবাদ প্রতিনিধি আহত হবার খবর পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নান্নু মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সড়কটিতে নিয়মিত পুলিশের টহল চলে। এলাকাটি চোর-ডাকাতে ভরা। বিভিন্ন স্থান থেকে ডাকাত ও ছিনতাই কারীরা এসে অঘটন ঘটিয়ে চলে যায়।