পূজায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ানোর অন্যরকম আনন্দ: অর্পণা ঘোষ

বিনোদন প্রতিবেদক- শত বছর ধরেই ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে এদেশের মানুষ উদযাপন করছে নানা ধর্মীয় উৎসব। বছর ঘুরে আবার এসেছে সনাতন ধর্মাবলীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।দিনের পালায় আজ চলছে সপ্তমী। ঢাকের তালে বাজছে আনন্দের জয়ধ্বনি। ধর্ম-বর্ণে মিলেমিশে আনন্দ করছে পূজায়। মহালয়া থেকে বিসর্জন; অন্য সবার মতো বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও প্রতিটি মুহূর্ত রঙিন করে রাখতে চান। নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফিরে পেতে চান অতীতের সেই আনন্দময় মুহূর্ত, যা স্মৃতিতে আজও উজ্জ্বল।

এবার ছোট বেলার আর বর্তমান পেক্ষাপটের পূজা নিয়ে বলেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্পণা ঘোষ। নিচে তার পূজা নিয়ে স্মৃতির মেশানো কথা গুলো তুলে ধরা হলো।

এই অভিনেত্রী বলেন, আমি তখন ক্লাস ফোর বা ফাইভে পড়ি। আমাকে কুমারী সাজানো হয়েছিল। সেটা জীবনের অনেক বড় স্মৃতি। আর পূজায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ানোর অন্যরকম আনন্দ। কিন্তু এখন সেই আনন্দ করা যায় না। এখন পূজামণ্ডপে গেলে অনেকেই এসে ছবি তুলতে চায়, কথা বলতে চায়। এতে নিজের মতো করে ঘুরে বেড়ানো যায় না। ছোটবেলায় ষষ্ঠী থেকে দশমী চার দিনই মহা আনন্দে কাটাতাম।

তিনি বলেন, আমাদের বাড়ি চট্টগ্রাম শহরের দক্ষিণ নালাপাড়ায়। শুরুর দিন পাড়ার মণ্ডপে ঘুরতাম। সপ্তমী ও অষ্টমী তোলা থাকত বাইরের মণ্ডপের ঠাকুর দেখার জন্য। প্রতিমা বিসর্জনের দিন চলে যেতাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে। এখন কাজের ব্যস্ততায় আর আগের মতো আনন্দ করা যায় না।তবে এবারো আমার পূজার সময়টা কাটছে চট্টগ্রাম।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়ায় পথ চলা শুরু হয় অর্পণার। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি পরিচিতি লাভ করেন।তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো হল মৃত্তিকা মায়া, মেঘমল্লার , সুতপার ঠিকানা , দর্পণ বিসর্জন , ও ভুবন মাঝি। ২০১৩ সালে মৃত্তিকা মায়া চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এ অভিনেত্রী।