কূটনীতিকদের কাছে নিজেদের যে কথা জানালো জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট

সময়ের কণ্ঠস্বর :: ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের কাছে ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য তুলে ধরেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে বৈঠকটি শুরু হয়ে পৌনে ১ ঘণ্টা চলে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের তাদের দাবীসমূহ কূটনীতিকদের অবহিত করেন। পাশাপাশি এই জোটের নেতারা কূটনীতিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ইইউভুক্ত দেশগুলোসহ ২০ থেকে ২৫টি দেশের কূটনীতিক ও তাঁদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ, নজরুল ইসলাম খান, মওদুদ আহমদ, আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মইনুল হোসেন, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, তাঁর স্ত্রী তানিয়া রব, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গনফোরামের প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম প্রতীক বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বৈঠকে সূচনা বক্তব্য রাখেন। এরপর ড. কামাল হোসেন লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

লিখিত বক্তব্যে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা তুলে ধরেন তিনি। এ সময় কূটনীতিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ড. কামাল হোসেন।

ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা আ স ম আব্দুর রব বলেন, আজকে আমরা বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সাথে মতবিনিময় করেছি৷ অত্যন্ত সফলভাবে এই মতবিনিময় সভা সমাপ্ত হয়েছে।

সিলেটে জনসভা বিষয়ে তিনি বলেন, ২৩ অক্টোবর সিলেটে আমাদের জনসভা ছিলো৷ তার অনুমতি দেয়নি সরকার। আমরা আশা করবো, অন্তত ২৪ তারিখ অনুমতি দেয়া হবে৷ আশা করছি সরকার গণতান্ত্রিক আচরণ করবে। সরকার যদি অনুমতি না দেয় তাহলে দেশে বিদেশে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে৷