বেবেতোর ওই উদযাপন জানেনই না ইমরুল

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ওপেনার ইমরুল কায়েস। সেঞ্চুরির পর ভিন্নভাবেই উদযাপন করলেন এ ক্রিকেটার। যা মনে করিয়ে দিল ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবল দল ব্রাজিলের বেবেতোকে। ওই বিশ্বকাপে এমনই এক উদযাপন করেছিলেন সে ফরোয়ার্ড। তবে সংবাদ সম্মেলনে ইমরুল বলেছেন, বেবেতোর ওই উদযাপনের কথা জানতেনই না তিনি।

এশিয়া কাপ শেষের সময়ই পুত্র সন্তানের বাবা হয়েছিলেন। তার আগেই অবশ্য আফগানিস্তানের সঙ্গে খেলেছিলেন ৭২ রানের মহাগুরুত্বপূর্ণ একটা ইনিংস। তবে নিজের সেরাটা যেন জমিয়ে রেখেছিলেন এদিনের জন্য।

জিম্বাবুয়ের সঙ্গে প্রথম ওয়ানডেতে ১৪৪ রানের ইনিংসটা ক্যারিয়ারসেরা তো বটেই, মিরপুরেই কোনো বাংলাদেশির সর্বোচ্চ ইনিংস। ম্যাচ শেষে জানালেন, বেবেতোর ওই উদযাপনের কথা মাথায় ছিল না তাঁর। বরং নিজের পুত্রসন্তানের জন্যই অমন করেছিলেন, ‘আমার বেবি হয়েছে। আমার বেবির জন্য সেঞ্চুরিটা ডেডিকেট করেছি।’

কিন্তু বার বার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েও ফিরে আসার প্রেরণা কী? ইমরুল মুশফিককে উদাহরণ হিসেবে টানলেন, ‘আমি একটি ব্যাপার বিশ্বাস করি, কেউ যদি কঠোর পরিশ্রম করে, সে তার ফল পাবেই। আমি মুশফিককে দেখে অনেক কিছু শিখি। মুশফিক যেভাবে কষ্ট করে, ও কিন্তু কষ্ট করেই আজকের মুশফিকুর রহিম হয়েছে। আমি সবসময় এটা অনুসরণ করার চেষ্টটা করি। বিশ্বাস করি যে কষ্ট করলে তার ফল পাওয়া যায়।’

এই ইনিংস কি তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা? এমন প্রশ্নের জবাবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপের ওই ইনিংসের কথাই বললেন, ‘এটা আমার ক্যারিয়ারের ভালো একটা ইনিংস হিসেবে রাখব। তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ইনিংস অনেক দরকার ছিল। আটলিমেটলি নিজে ভালো খেললে দলের কাজ হয়ে যায়। আজকের ইনিংসটির জন্য বাংলাদেশ দল সেভ হয়ে গেছে। এটার জন্য আলহামদুলিল্লাহ।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। আমি কি করতে পারি, কি পারি না, অনেক কিছু জেনেছি ওই ইনিংস থেকে। আজকে ব্যাটিংয়ের সময় ওই ইনিংসটার কথা বারবার মনে করছিলাম। ওরকম একটা কঠিন পরিস্থিতিতে, চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে যদি ভালো কিছু করতে পারি, তাহলে নিজেদের কন্ডিশনে আরও ভালো কিছু করতে পারব।’