কক্সবাজারের কলাতলী থেকে জামায়াতের ১৭ নেতাকর্মী আটক

১০:৫৪ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, অক্টোবর ২৬, ২০১৮ চট্টগ্রাম

কক্সবাজার প্রতিনিধি:কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলে গোপন বৈঠক থেকে জামায়াতের ১৭ জন নেতাকর্মী আটক করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের পক্ষ থেকে দাবী করা হচ্ছে, নাশকতা পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে তারা গোপন বৈঠকে বসেছিল।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কক্সবাজার শহরে কলাতলীর ‘বে টাচ’ নামে একটি হোটেল থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। কক্সবাজার র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বিষয়টি গণমাধ্যমে জানান।

আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি দরবেশ আলী, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমীর ও কক্সবাজার জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মো. শাহজাহানের ছোট ভাই জামায়াত নেতা মফিজ উদ্দিন, উখিয়া উপজেলা জামায়াতের নেতা শাহনেওয়াজ, জামায়াত নেতা আব্দুল করিম, মো. হাশেম, রফিক উল্লাহ, মো. ছিদ্দিক, সাবেক শিবির নেতা মো. ইউনুচ, জামায়াত নেতা আবুল আলা মো. রুমেল, আনোয়ারুল ইসলাম, মো. ইব্রাহিম, আব্দুর রহমান, মৌলানা মো. ইউসুফ, নিয়ামত উল্লাহ, রফিকুল ইসলাম, আবছার কামাল ও মো. ফারুক।

র‌্যাব সূত্র জানায়, শহরের কলাতলীর বে টাচ হোটেলের একটি কক্ষে উখিয়ার অরিজিন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভার নাম দিয়ে নাশকতা পরিকল্পনার জন্য গোপন বৈঠকে বসেছিল জামায়াত নেতারা। পরে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

কক্সবাজার র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, জামায়াত নেতারা নাশকতা পরিকল্পনার জন্য হোটেলে গোপন বৈঠকে বসেছিল। ওই হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের পরিকল্পনা ভন্ডুল করা হয়। পরে তাদেরকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আটক জামায়াত নেতাকর্মীদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দীন খন্দকার। তিনি জানান, আটক জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে কক্সবাজার জেলা জামাতের আমীর মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী উখিয়ার অরজিন হসপিটালের এজিএম চলছিল। এটি জামায়াতের কোন মিটিং নয়। আভ্যন্তরীণ ব্যবসায়িক কোন্দলের কারণে এই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের এই নেতা।