দীর্ঘতম পূর্ণ গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ২০৮৮ সালে!

মুক্তমত ডেস্ক :: চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান নিয়ে সরল রেখা হয়ে দীর্ঘতম পূর্ণ গ্রাস চন্দ্রগ্রহণ পুনরায় দেখা যাবে ২০৮৮ সালে। ২০১৮ সালের ৭ই আগষ্ট তারিখের পূর্ণ গ্রাস চন্দ্র গ্রহনের সময় সীমা ছিল প্রায় ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের মতো এবং সেই চন্দ্রগ্রহণটি হয়েছিল চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া পড়ার কারণে।

ঠিক একই রকম ও একই সময়সীমার আরও একটি পূর্ণ গ্রাস চন্দ্র গ্রহন দেখা  যেতে পারে ২০৮৮ সালের ৭ই আগষ্ট। তবে এই সময়ের কিছুটা পার্থক্য হতে পারে; যেমন- কয়েক ঘণ্টা আগে অথবা পরে হতে পারে কিন্তু মাস ও তারিখের কোন পরিবর্তন হবে না।

বাংলা ও ইংরেজীর ক্ষেত্রে ৭০ বছর পরে, আরবি ৭২ বছরর পরে এবং চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান নিয়ে সরল রেখা হয়ে অথবা পৃথিবীর ছায়া চাঁদের পিঠে পড়লে ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট ব্যাপ্তিকালের পূর্ণ গ্রাস সূর্য গ্রহণ দেখা যেতে পারে।

এটি অতি বিরল তার কারণ, আমাদের পৃথিবীকে চাঁদ ৮৬৪ বার প্রদক্ষিন করার পড়ে কেবল চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান নিয়ে সরল রেখা হবে এবং এতে করে আমাদের পৃথিবীকে ৮৬৪ বার প্রদক্ষিন করতে চাঁদের ব্যয় হবে বাংলা-ইংরেজী ৭০ বছর, আরবি ৭২ বছর।

যার কারণে আমাদের আগামী পূর্ণ গ্রাস চন্দ্র গ্রহণ ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় সীমার দেখতে প্রায় ৭০ বছর অপেক্ষা করতে হবে এবং যেটি হবে ইংরেজী ২০৮৮ সালের ৭ই আগষ্ট। এটি এমনই একটি মাস যে মাসে অথবা যে সময় আমাদের পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিন মেরুতে সমান ভাবেই তাপমাত্রা বিরাজমান থাকবে এবং ঐ সময় পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিন মেরুতে না শীতকাল না গরমকাল থাকবে।

ঐ সময় পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিন মেরুর দেশ গুলাতে মধ্যম আকারের তাপমাত্রা বিরাজমান থাকবে এবং সে সময় আমাদের পৃথিবীর পূর্ব পশ্চিমে মধ্য রেখার দেশ গুলাতে প্রায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজমান থাকবে এবং পৃথিবীর মধ্য রেখার আওতাভুক্ত দেশ গুলো যেমন- পূর্ব হতে ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, সোমালিয়া, সুদান, ইথিওপিয়া, সেন্ট্রাল আফ্রিকা, আলজেরিয়া, সেন্ট্রাল অ্যামেরিকা এ সকল দেশ গুলা হচ্ছে পৃথিবীর মধ্য রেখার আওতা ভুক্ত দেশ আর এই সকল দেশ গুলাতেই কেবল ২০৮৮ সালের ৭ই আগষ্ট তারিখে ৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের সময়সীমার পূর্ণ গ্রাস চন্দ্র গ্রহণ দেখতে পাওয়া যাবে।

এই পূর্ণ গ্রাস চন্দ্র গ্রহন সম্বন্ধে কারো কোন প্রশ্ন থাকলে লেখকের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। মুস্তাফা কামাল। [email protected]

 

বি: দ্র: এই লেখার বিষয়বস্তুর সাথে সময়ের কণ্ঠস্বরের সম্পাদকীয় নীতিমালার কোন সম্পর্ক নেই। এই লেখা লেখকের নিজস্ব মত। এই লেখার প্রভাবে কেউ প্রভাবিত হলে তার দায়ভার সময়ের কণ্ঠস্বর বহন করবে না।

Sharing is.

Share on facebook
Share with others
Share on google
Share On Google+
Share on twitter
Share On Twitter
  • You May Also Like:
  • Top Views