সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শেষ পর্যন্ত ট্রেন বিরতি দিচ্ছে মির্জাপুরে

১১:৩৫ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৮ সুখবর প্রতিদিন

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ দাবি আদায়ে যখন মির্জাপুরের সচেতন নাগরিকরা মানববন্ধনে নামেন আর প্রকাশিত সংবাদে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষ।

গত ০৮ নভেম্বর বিকেলে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে টাঙ্গাইলবাসীর প্রাণের দাবি ঢাকা-টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন করেন।

এ ট্রেনটি ১৩টি স্থানে বিরতি দেয়ার সিডিউল থাকলেও ট্রেন চালুর একদিন পরই টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, মহেড়া ও গাজীপুরের মৌচাক স্টেশনে ট্রেনটি বিরতি দেয়া হয়না, অর্থাৎ ৩ টি স্থান ব্যতীত আর সবখানেই নতুন ট্রেনটির সুবিধা পায় ১০টি স্থানের মানুষ। আর তাই গত ১০ নভেম্বর মির্জাপুরে ট্রেন বিরতি দেয়ার দাবিতে মির্জাপুরের সচেতন নাগরিক ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়।

উক্ত মানববন্ধনের সংবাদ মূহুর্তের মধ্যেই ভাইরাল হলে সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে তারা বিষয়টিকে অতি গুরুত্বসহকারে দেখে সমস্যার সমাধান করেন। উল্লেখ্য যে, এ মানববন্ধনে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মির্জাপুর পৌর মেয়র সাহাদৎ হোসেন সুমনও অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার থেকেই এ রেল সেবাটি চালু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল সরাসরি ট্রেন সার্ভিস বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক সাঈদ মো. সাইফুল্লাহ। তবে বর্তমানে ঢাকা-টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনটির নাম পরিবর্তন হয়ে টাঙ্গাইল এক্সপ্রেস নামকরণ করা হয়েছে এবং ১৩টি স্থানের বিরতি না দিয়ে পরিবর্তন করে মোট ৭টি স্থানে বিরতির সিডিউলও করা হয়েছে এবং মিটারগেজ এর পরিবর্তে ব্রডগ্রেজ ট্রেন চলবে বলেও জানা গেছে।

এ বিষয়ে মির্জাপুর রেল স্টেশন মাস্টার নাজমুল হুদা বকুল বলেন, আগের ট্রেনের চাইতে এই ট্রেনের সেবা ও গুণগতমান অনেক ভালো এবং আজ থেকেই ট্রেন থামার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

মির্জাপুর স্টেশনে ট্রেন বিরতি দেয়ার কারণে মির্জাপুর পৌর মেয়র সাহাদৎ হোসেন সুমন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকসহ রেল কর্তৃপক্ষকে মির্জাপুরবাসীর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।