অবাক হবেন জেনে, একের ভেতর এত!

লাইফস্টাইল ডেস্ক :: ওজন কমে, হার্টও ভালো রাখে, মন ভালো থাকে আরও আছে গরম, গরম থেকে মুক্তির মোক্ষম দাওয়াই হচ্ছে সাঁতার কাটা।

নিয়মিত সাঁতার কাটার উপকারিতা জেনে নিন-
১. ওজন কমায় ২. হাড় মজবুত রাখে ৩. ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে ৪. কোলেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে ৫. হৃত্‍পিণ্ড ও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে ৬. বিষণ্নতা দূর হয়, মন ভালো থাকে ৭. স্ট্রোকসহ নানা রোগের ঝুঁকি কমে ৮. আলাদা করে ব্যায়াম করার প্রয়োজন হয় না ৯. শরীরের গরমের সময়ে শীতল অনুভূতি দেবে ১০. একঘণ্টা সাঁতারে ৬০০ ক্যালোরি খরচ হয়।

সাবধানতা- অবশ্যই আগে ভালোভাবে সাঁতার শিখে নিন। পরিষ্কার পানিতে সাঁতার কাটুন। সাঁতার কাটার সময়ের পোশাকের বিষয়েও সচেতন থাকুন, ভরা পেটে সাঁতার না কাটাই ভালো। সাঁতার কাটার সময় চুল, কান ক্যাপ দিয়ে আটকে নিন। চশমা ব্যবহার করুন। যাদের পানিভীতি বা শ্বাসকষ্ট আছে তারা চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিয়ে নিন। যাঁরা অতিরিক্ত হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের ক্ষেত্রে সাঁতার কাটতে গেলে নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই সাঁতার কাটার সময় তাঁদের দিকে নজর রাখতে হবে।

সাঁতারের নিয়ম

সাঁতারের বিভিন্ন নিয়ম থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রজাপতি (বাটারফ্লাই)পদ্ধতিতে সাঁতার কাটা শেখানো হয়। এ ক্ষেত্রে সারা শরীরে ভারসাম্য রেখে এক হাত সামনের দিকে আরেক হাত পেছনের দিকে দিয়ে সাঁতার কাটতে হবে। পাশাপাশি দুই পাশে মাথা নাড়াতে হবে। শ্বাস নিতে হবে এবং ছাড়তে হবে। যদি এ সময় শ্বাস-প্রশ্বাস সচল না রাখা হয় তবে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সময়

বলা হয়, সাঁতার কাটার সবচেয়ে ভালো সময় সকালবেলা। এ ক্ষেত্রে সাঁতার কাটার আগে শরীরকে প্রস্তুত করে নিতে হবে। পানীয় জাতীয় খাবার (পানি, ডাবের পানি) খেয়ে সাঁতার কাটতে হবে। সাঁতারের আগে কোনোভাবেই ভারী খাবার খাওয়া যাবে না।

পোশাক

সাঁতারের সময় সুতির পোশাক না পরাই ভালো। সাঁতারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি পোশাক (সুইমিং কস্টিউম) ব্যবহার করতে পারেন। এ সময় সাঁতারের জন্য তৈরি বিশেষ চশমা পরা ভালো। সাঁতারের পানিতে (সুইমিং পুলে) ক্লোরিন থাকে যার ফলে চোখ জ্বলতে পারে। এই চশমা ব্যবহারে চোখ জ্বলবে না।

সপ্তাহে একাধিক দিন অন্তত ৩০ মিনিট করে সাঁতার কাটলে এর সুফল পাওয়া যাবে। প্রতিটি ব্যায়ামের ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন থাকে। আর বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যায় একজন ব্যক্তি কীভাবে সাঁতার শুরু করবে তা আগেই জেনে নেওয়া ভালো। তাই যেকোনো ব্যায়ামের আগেই প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিন। সুস্থ দেহের অধিকারী হতে সাঁতারকে অভ্যাসে পরিণত করুন।