ফুরফুরে মেজাজে চিফ হুইপ

কৃষ্ণ কর্মকার, ঊাউফল প্রতিনিধি:বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন পটুয়াখালী-২ বাউফল আসনের ৬ বারের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ।

ফুর ফুরে মেজাজে আছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা কর্মীরা। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রবিবার যখন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের মনোণয়নপত্র বৈধ ঘোষনা করেন জেলা রিটানিং কর্মকর্তা পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, তখনই দলের নেতাকর্মীদের মনে নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটে।

সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমসহ উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের উল্ল্যাস করতে দেখা যায়। এর আগে গত ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল চিফ হুইপ আ.স.ম. ফিরোজের মেসার্স পটুয়াখালী জুট মিল’র নামে সোনালী ব্যাংকের ঋণ পূনঃতফশীল করানোর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করেছিলেন।

রিটের শুনানী শেষে বিচারপতি সোনালী ব্যাংকের ঋণ পূনঃতফশীল করানোর সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করলে উপজেলার নেতার্মীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করে।

অভিযোগ উঠেছে, বরিশালের এক প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা, একটি বেসরকারী ব্যাংকের পরিচালক, ও এক সচিব মেয়র জুয়েলকে সামনে রখে ফিরোজ ঠেকাও মিশনে নেমেছে। যদিও ২২ নভেম্বর আ স ম ফিরোজের ঋণ পূনঃতফশিলকরণের উপর দেওয়া হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকি স্থগিত করেন।

বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার বলেন, যখনই জাতীয় নির্বাচন আসে তখনই এ উপজেলার সাধারন মানুষের নিরাপদ আশ্রয়স্থল আ স ম ফিরোজ ঠেকাও একটি সিন্ডিগেট তৈরী হয়। ষরযন্ত্র করে। সকল ষরযন্ত্র নশ্যাৎ করে দিয়ে প্রতিবারের মতন এবারো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাউফলবাসী এ আসনটি উপহার দিবেন।