এলিয়েনদের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে কিছু প্রশ্ন

মুক্তমত ডেস্ক :: যুক্তরাষ্ট্রের নাসা অনেক আগেই বলেছে যে, চাঁদে অক্সিজেন, পানি, গাছ-পালা নেই এবং একথা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে বিশেষ করে চাঁদে ঘর বাড়ি তৈরি করে এলিয়েনরা বসবাস করে কিভাবে? বিশেষ করে এলিয়েনরা যেরকমের ছবি চেহারার হোক না কেন তারাও তো আমাদের মতোই প্রাণি এবং এলিয়েনেরা যদি আসলেই প্রাণি হয়ে থাকে তাহলে প্রাণহীন ওই স্থানে (চাঁদে) এলিয়েনরা বসবাস করে কিভাবে!

তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটিয়েছে, অনেক নিত্য-নতুন অজানা তথ্য-তত্ত্ব আবিস্কার করেছে ও করতে পারে সেটা আমি অবশ্যই মানি কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র অনেক মিথ্যা অপপ্রচারও করে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ, ১৯৬৯ সালে কেউ চাঁদে যেতে পারে নাই কিন্তু গোটা বিশ্বকে প্রচার করে চষে বেরিয়েছে তারা একে একে চার বার চাঁদে ভ্রমন করেছে। এবং গোটা বিশ্ববাসীও তাদের চাঁদে ভ্রমনের কথা বিশ্বাস করেছিল।

প্রকৃতপক্ষে ১৯৬৯ সালে চাঁদে ভ্রমনের নামে তারা জুলাই মাসের ১৬ তারিখ হতে ২৪ তারিখ পর্যন্ত পৃথিবীর কক্ষপথে ৮ দিন ঘোরাফেরা করে পৃথিবীতে এসে অপপ্রচার করেছে যে তারা চাঁদে ভ্রমন করে এসেছে। আসলে কিন্তু তা নয়, তা ছিল তাদের অপপ্রচার, বিশ্ববাসীকে বোকা বানানোর উপায় মাত্র।

তেমনি ভাবেই কেবল এলিয়েন নামের এই প্রোগ্রাম দিয়ে বিশ্ববাসীকে বোকা বানানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা এবং এলিয়েন নামের প্রোগ্রামটি একটি বিশাল ভার্চৃয়াল কক্ষের ভিতরে আলোকশয্যা দিয়ে চাঁদের রঙ্গে রঙ্গিন করে তার মধ্যে মনের চাহিদা অনুযায়ী একটি প্রানির ছবি তৈরি করে ছোট ছোট ঘর-বাড়ি যুক্ত করে তারা এই প্রোগ্রামটি তৈরি করেছে। যা বিশ্ব বাসিকে দেখিয়ে বোকা বানানো ছাড়া এটি আর কিছুই নয়।

এবং ১৯৬৯ সন হতে পরবর্তী সময়ে আমাদের দেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত নীল আর্মস্ট্রংয়ের চাঁদে ভ্রমণের গল্প সংযুক্ত করা হয়েছে। এবং এই মিথ্যা প্রোগ্রাম আমাদের দেশের স্কুল কলেজের বইয়ের মধ্যে দিয়ে কেবল আমাদের ছাত্র ছাত্রীদের ব্রেণওয়াশ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। একে তো আমাদের দেশে মনিষী বা বিজ্ঞানি, গবেষকের সংখ্যা খুবই কম তার উপর আবার মিথ্যা প্রোগ্রাম বই পুস্তুকে দিয়ে আরও মাথার মেমোরি নষ্ট করে দেবার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

আমি সবার উদ্দেশ্যে আহ্বাহ রাখতে চাই, সকলে সচেতনতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের এলিয়েন মার্কা গল্প হতে বিরত থাকুন।

লেখক: মোঃ মুস্তাফা কামাল, [email protected]

আগের লেখাটি পড়ুন-

বি: দ্র: এই লেখার বিষয়বস্তুর সাথে সময়ের কণ্ঠস্বরের সম্পাদকীয় নীতিমালার কোন সম্পর্ক নেই। এই লেখা লেখকের নিজস্ব মত। এই লেখার প্রভাবে কেউ প্রভাবিত হলে তার দায়ভার সময়ের কণ্ঠস্বর বহন করবে না।

Sharing is.

Share on facebook
Share with others
Share on google
Share On Google+
Share on twitter
Share On Twitter
  • You May Also Like:
  • Top Views