সংবাদ শিরোনাম
মাদারীপুরে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার অফিস সময়ে প্রাইভেট হাসপাতালে! | তানোরে স্কুল বারান্দার পাশে মরাগাছ, ঝুঁঝিতে শিক্ষার্থীরা | ঢাকা রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার সাইদুর | ফরিদপুরে ইউপি মেম্বারকে কুঁপিয়ে আঙ্গুল কেটে নিলো প্রতিপক্ষ | লক্ষ্মীপুরে মেঘনার পাড় কেটে তৈরি হচ্ছে ইট,ভয়াবহ ভাঙ্গনের আশঙ্কা   | শান্তিপূর্ণভাবে ভাসানীর এ ও বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন | ছোট বর্শিতে ২০ কেজি ওজনের কাতল ধরলেন বেদেঁ নারী! | ঠাকুরগাঁও আওয়ামীলীগের নতুন সভাপতি কুরাইশী, সাধারণ সম্পাদক দীপক | গাজীপুরে বালুর নিচ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার | মালয়েশিয়া মাহাসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিপি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের বশির |
  • আজ ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বাবার অবাধ্য হলেই সৌদি নারীদের জেল

৭:০৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, জানুয়ারি ৯, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ গাড়ি চালানোর জন্য নারীদের নিষেধাজ্ঞা তুলে অবাধ স্বাধীনতা দেয়ায় গত বছর বিশ্বজুড়ে প্রশংসায় ভাসে সৌদি আরব।

কিন্তু দেশটিতে নারীদের ওপর এখনও অনেক বিধি-নিষেধ জারি আছে।

এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পুরুষতান্ত্রিক অভিভাবক ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় একজন নারীকে তার পরিবারের বাবা, ভাই, স্বামী অথবা ছেলের অধীনে থাকতে হয়। নারীদের হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন পুরষরা।

অন্যথায় কারাভোগ করতে হয়। সৌদি তরুণী রাহাফ আল-কুনুন ঘর ছেড়ে ব্যাংককে পালিয়ে একটি হোটেলে আশ্রয় নেয়ার পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। ওই তরুণী জানায়, তাকে সৌদি আরবে ফেরত পাঠালে বাবার হাতে খুন হতে পারেন তিনি।

জানা যায়, পাসপোর্টের জন্য আবেদন, দেশের বাইরে ঘুরতে যাওয়া, সরকারি বৃত্তি নিয়ে বিদেশে পড়াশোনা, বিয়ে করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সৌদি নারীকে পরিবারের পুরুষ সদস্যের অনুমতি নিতে হয়।

রক্ষণশীল সৌদি আরব নারীদের খেলাধুলার ওপর নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেছে। পাশাপাশি স্টেডিয়ামে বসে নারীদের ফুটবল ম্যাচ দেখার অনুমতি দিয়েছে।

তবে সৌদি আরবের পুরুষ অভিভাবকত্ব ব্যবস্থাকে সমাজ এবং অর্থনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। কোরআন অনুসারে সৌদি আরবে এই ধর্মীয় বিধান চালু আছে বলে ব্যাখ্যা রয়েছে।

২০১৬ সালে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, সৌদি আরবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্পষ্ট এবং প্রত্যক্ষভাবে অভিভাবকত্বের প্রয়োজনীয়তার শর্ত রয়েছে। এই শর্তের বিরোধিতা করায় দেশটির বেশকিছু নারী আটক এবং বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন।

২০০৮ সালে প্রখ্যাত নারী মানবাধিকার কর্মী সামার বাদায়ি তার বাবার বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে বাড়ি ছাড়েন। বাবার অভিভাবকত্ব বাতিল করতে আদালতে মামলা করেন তিনি। তার বাবাও মেয়ের বিরুদ্ধে অবাধ্য হওয়ার অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা করেন।

২০১০ সালে দেশটির একটি আদালত তাকে আটকে রাখার নির্দেশ দেন। এ মামলার ঘটনায় মানবাধিকার কর্মীদের মাঝে আলোড়ন পড়ার আগেই ৭ মাস কারাগারে কেটে যায় তার। পরে আদালত মামলা বাতিল করে দেন।

Loading...