দিনব্যাপী ডিএনসিসি মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলামের ব্যাপক জনসংযোগ

৫:১৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯ ঢাকা
gonosogjog

রাজু আহমেদ, ষ্টাফ রিপোর্টার: একটি সুন্দর ঢাকা উপহার দেয়ার অঙ্গীকার নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ আতিকুল ইসলাম দিনব্যাপী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন।

গণসংযোগে ঢাকা-১৪ আসনের স্থানীয় সাংসদ আসলামুল হক আসলাম, এলাকার সকল কাউন্সিলরবৃন্দসহ আ’লীগের নেতাকর্মী ও সকল শ্রেনী পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আজ সোমবার রাজধানীর উত্তরখান ও মিরপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে তিনি ডিএনসিসি বাসীদের উদ্দেশ্যে নানা প্রতিশ্রুতিও ছুড়ে দিয়েছেন।

মিরপুরের হযরত শাহ আলী মাজার শরীফে মিরপুরের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় আতিকুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার করে আপনাদের একটি সুন্দর ঢাকা শহর উপহার দিতে পারবো। এ জন্যে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। গতকাল প্রতীক পাওয়ার পরে এই প্রথম গণসংযোগ শুরু করলাম মাজার শরীফ জিয়ারতের মধ্য দিয়ে। ঢাকা উত্তরকে আধুনিক করার জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। তাই আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি দল-মত নির্বিশেষে আমাকে যদি ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, ইনশাল্লাহ আমি বলতে পারি- এই ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে আমি আপনাদের নিয়ে সুন্দর ঢাকা শহর উপহার দেবো।

তিনি  বলেন, আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আপনারা জানেন ঢাকা একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এই ঢাকা শহরে যত নির্বাচিত সংসদ সদস্য রয়েছেন এবং খেটে খাওয়া মানুষ রয়েছেন সবাইকে নিয়ে ইনশাআল্লাহ চেষ্টা কররো। যেদিন থেকে দায়িত্ব পাব সেদিন থেকে আমার দায়িত্বে কোনো অবহেলা থাকবে না আমি সততার সাথে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ঢাকা শহর গড়তে চাই।

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, মাদক এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে হলে অবশ্যই আমাদের খেলার মাঠের কোনো বিকল্প নেই। তাই আমরা খেলার মাঠ করে দেবো। যাতে করে খেলার মাঠে এসে আমাদের নতুন প্রজন্ম সঠিক দক্ষতায় বেড়ে ওঠে।

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়েছেন, আপনারও এ রকম হতে পারে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ জন্যই কিন্তু আমরা সর্বপ্রথম এখানে এসেছি। আমি কিন্তু অন্য জায়গায় যেতে পারতাম। আমি এই বিষয়টা গুরুত্ব দিয়েছি বলেই আমি গ্রাম থেকে শুরু করেছি।

এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের যে ইউনিয়ন পরিষদগুলো (অন্তর্ভুক্ত নতুন ওয়ার্ড) রয়েছে, এগুলো বড় চ্যালেঞ্জ। আমি শুনেছি, প্রি-একনেকে ৩২১৩ কোটি টাকা পাস হয়েছে। এখন একনেকে যাবে এবং পাস হবে। তাই আমি মনে করি, আমরা যে রাস্তাঘাট করবো এবং যা যা কাজ করবো সব সংস্থাকে নিয়ে সাথে করবো। যাতে করে কালকে আর একটি সংস্থা এসে রাস্তা আবার খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করবে আমি এটাকে মোটেও সমর্থন করি না এবং ভবিষ্যতেও করবো না। সকল সংস্থার সমন্বয়ে যেকোনো কাজ একবারই হবে।’

নৌকা শুধু সামনের দিকে যেতে পারে পেছনের দিকে যেতে পারে না দাবি করে তিনি বলেন, এটি হলো আমাদের প্রতীক, নৌকা প্রতীক। আমি নৌকা প্রতীকের একজন প্রার্থী। আপনারা দেখেছেন গত ৩০ ডিসেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মানুষ কীভাবে ভোট দিয়েছে। তাই আপনাদের কাছে আমি ভোট চাচ্ছি আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি সবাই এসে আমাদের নৌকাকে, আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করবেন। নতুন যে ওয়ার্ডগুলো রয়েছে তাদের যে কাউন্সিলর হবে আমি তাদেরকে নিয়ে নতুন ওয়ার্ডগুলোকে নতুনভাবে সাজাবো। এবং একটি সুন্দর ওয়ার্ড দিতে পারবো বলে আমি আশা করি। আমি কারো স্বপ্ন, আশা বৃথা যেতে দেবো না। আপনাদের নিয়ে একটি সুন্দর নগরী করবো ইনশাল্লাহ।