শিবির কর্মী এখন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী

৫:৪৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯ খুলনা

জাহিদ হোসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ২০১৩-১৪ সালে নাশকতা, সহিংসতা, সড়কে পিকেটিং, ব্যারিকেট, গাড়ি ভাংচুরসহ বিভিন্ন অপকর্মের হোঁতা সাতক্ষীরার দেবহাটার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ঢেপুখালি গ্রামের রফিকুল গাজীর ছেলে শিবিরকর্মী সোহাগ হোসেন দেবহাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, উপজেলা ছাত্রলীগ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, সোহাগ হোসেন এবং তার পরিবারের সদস্যরা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত।

সে ও তার পরিবারের সদস্যরা ২০১৩-১৪ সালে নাশকতা, সহিংসতা, সড়কে পিকেটিং ও ব্যারিকেট, গাড়ি ভাংচুরসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত ছিল। ঐ সময় সে প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর ঢেপুখালি, বাবুর আবাদ, সন্ন্যাসীর চক এলাকা থেকে জামাত-শিবির কর্মীদের সংগঠিত সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সহিংস কর্মকান্ড চালিয়েছিল। এমনকি ২০১৩ সালের ২ মার্চ সখিপুর মোড়ে হরতাল সফল করতে সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রেও নেতৃত্ব দেন সোহাগ হোসেন।

এছাড়া ২০১৫ সালে সন্ন্যাসীর চক এলাকার এক ছাত্রীকে অপহরণ করে বিয়ে করার অপরাধে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা হয় তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে নিজের গা বাঁচাতে সে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় এসে ভোল পাল্টে ফেলে। সর্বশেষ সে নিজেকে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে আবেদন পত্র জমা দিয়েছেন।

তবে এসব বিষয় অস্বীকার করে সোহাগ হোসেন বলেন, আমি ওসব কাজে জড়িত ছিলাম না। আমার কাছে আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রত্যয়ন আছে।

নওয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন সাহেব আলী জানান, সোহাগকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কখনো দেখিনি। তবে ২০১৩-১৪ সালে সহিংসতার সময় তাকে জামায়াত শিবিরের হয়ে কাজ করতে দেখা গেছে।

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে কাউকে কোন পদ দিতে গেলে তার ব্যাপারে আমরা খতিয়ে দেখবো।