গ্রামীণফোন ছাড়ল ৬২ হাজার গ্রাহক

৫:০২ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৯ আলোচিত

সময়ের কন্ঠস্বর, ঢাকা- নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তনের সেবা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটিতে (এমএনপি) সবচেয়ে বেশি গ্রাহক ছেড়ে গেছেন গ্রামীণফোন। অন্যদিকে অন্য অপারেটর থেকে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক এসেছেন রবিতে।

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য প্রকাশ করেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি।

বিটিআরসি বলছে, চার মাসে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬২১ জন গ্রাহক অপারেটর বদল করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬২ হাজার ৩১৭ জন গ্রাহক গ্রামীণফোন ছেড়ে গেছেন।

সবর্শেষ জানুয়ারি মাসেও গ্রামীণফোন থেকে তুলনামূলক বেশি গ্রাহক অন্য অপারেটরে গেছেন। এ মাসে গ্রামীণফোন ছেড়েছেন ১২ হাজার ৬৫৯ গ্রাহক। রবি ছেড়েছেন ৩ হাজার ৫০৫ জন, বাংলালিংক ১০ হাজার ৮৩৬ জন ও টেলিটক ছেড়েছেন ৪৪৮ জন। জানুয়ারিতে ২৭ হাজার ৪৪৮ জন গ্রাহক অপারেটর বদল করেছেন।

বিভিন্ন অপারেটর অভিযোগ করে বলছে, এমএনপি চালু হওয়ার পর থেকে যখন গ্রামীণফোন থেকে সবচেয়ে বেশি গ্রাহক চলে যাচ্ছিল, তখন নানান অজুহাতে গ্রাহকদের আটকে রেখেছিল অপারেটরটি। বিটিআরসির প্রতিবেদনেও এ চিত্র স্পষ্ট। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, চার মাসে মোট ৩৯ হাজার ৮৫৭ জন গ্রাহক গ্রামীণফোন ছাড়তে গিয়ে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

তবে অন্য অপারেটর থেকে গ্রামীণফোনে গ্রাহক আসার সংখ্যাও আশাব্যঞ্জক নয়। গত চার মাসে অন্য অপারেটর থেকে গ্রামীণফোনে এসেছেন মাত্র ১২ হাজার ৩৪৬ জন গ্রাহক। এ সময় রবি থেকে অন্য অপারেটরে গেছেন ২৩ হাজার ৯১১ জন। অপারেটর পরিবর্তনে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন ১৪ হাজার। আর অন্য অপারেটর থেকে রবিতে এসেছেন সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৯৩ হাজার গ্রাহক।

বাংলালিংক পরিবর্তন করে অন্য অপারেটরে গিয়েছেন ৪৫ হাজার গ্রাহক। অপারেটর পরিবর্তনে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার গ্রাহক। আর অপারেটর পরিবর্তন করে বাংলালিংকে এসেছেন ২৫ হাজার গ্রাহক। টেলিটক ছেড়েছেন ২ হাজার ৩০১ জন গ্রাহক। আর টেলিটকে এসেছেন ২ হাজার ২ জন গ্রাহক।

গত বছরের ১ অক্টোবর এমএনপি সেবা চালু হলেও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ২১ অক্টোবর। এর ফলে আগের নম্বর ঠিক রেখে এক অপারেটরের গ্রাহক অন্য অপারেটরে যেতে পারছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ সেবা চালু আছে। আর সম্প্রতি অপারেটর বদলে খরচ কমিয়ে ৫৮ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। পূর্বে এ খরচ ছিল ১৫৮ টাকা। ১৩ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।