বগুড়ার সেই শিক্ষিকা থানায় এসে বললেন ‘নিজেরাই নাটক সাজিয়েছি’

১:০০ অপরাহ্ণ | বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৯ আলোচিত
bongra

সাখাওয়াত হোসেন জুম্মা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার শেরপুরে অপহরন নাটকের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে অপহরনকারী শিক্ষক মেহেদী হাসান জনিকে অনেক নাটক সিনেমার পর বিয়ে করলো অপহৃত শিক্ষিকা রুমানা খাতুন। গত মঙ্গলবার রংপুরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

জানা যায়, উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের চকধোলী গ্রামের মৃত মোজাহার আলীর মেয়ে চকধোলী-চক কল্যানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা রুমানা খাতুনকে একই গ্রামের মৃত সামছুদ্দিন বুলুর ছেলে ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মেহেদি হাসান জনি গত সোমবার বিকেল ৩ টার দিকে জরুরী কাজের কথা বলে অফিস থেকে বিদ্যালয়ের মাঠের ভিতর নিয়ে যায়। সেখানে থেকে তাকে জোর করে মাইক্রোবাসে তুলে রংপুরে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকার বড় ভাই ইসমাইল হোসেন বাদশা ওইদিন রাত ৯ টার দিকে বাদি হয়ে শিক্ষক মেহেদি হাসান জনি সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় একটি অপহরনের অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ১ দিন পর তারা নিজেরাই বিয়ে করে মামলা থেকে রক্ষা পেতে পুলিশের কাছে আত্ম সমর্পন করে। সেখানে শিক্ষিকা রুমানা খাতুন তার জবানবন্দিতে বলেন, আমাদের দুইজনের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্ক পরিবার থেকে মেনে না নেয়ায় অপহরনের নাটক করেছি।

এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ুন কবীর বলেন, ওই শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তা শিক্ষিকার ভাই ইসমাইল হোসেন বাদশা মেনে না নেয়ায় তারা অপহরনের নাটক করেছিল।