• আজ ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পাঠক-ক্রেতা-দর্শনার্থীতে মুখর বইমেলা

১১:০৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৯ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা :: শেষ সময়ে পাঠক-ক্রেতা-দর্শনার্থীতে মুখর বইমেলা প্রাঙ্গণ। বৃষ্টি আর ঠাণ্ডাও বাধা হতে পারেনি বইপ্রেমীদের। বাকি দিনগুলোতে বই বিক্রি আরো বাড়বে বলছেন বিক্রেতারা।

মঙ্গলবার সকালের বৃষ্টির পর বিকেলের আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও দমাতে পারেনি বইপ্রেমীদের। মেলার শেষ সময়ে অনেকেই আসছেন বই কিনতে, আড্ডা দিতে। বৃষ্টি বাগড়ায় মেলার মাঝামাঝি সময়ে অনেক স্টল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, এবার আগে থেকেই ব্যবস্থা নেয়ায় খুব একটা ক্ষতি হয়নি।

জনপ্রিয় লেখকের পাশাপাশি নতুনদের বইয়েও আগ্রহ পাঠকের। ভালো বই নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করবে প্রত্যাশা লেখক-পাঠকের। মেলায় মঙ্গলবার নতুন বই এসেছে ১৮৫টি। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত বই এসেছে ৪ হাজার ২৮৪টি।

এদিকে বিগত কয়েক বছরের মতো এবারের বাঙালির প্রাণের মেলা ‘বইমেলা’র শুরু থেকে ১৯তম দিন পর্যন্ত খোঁজ নিয়ে সেই সত্যত্যাই পাওয়া গেছে। মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার প্রকাশকরাও বলছেন-সংখ্যাগত দিক থেকে নতুন বইয়ের মধ্যে কবিতার বই বেশি থাকলেও বিক্রির ক্ষেত্রে উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, কবিতা, মহীয়সীদের জীবনী ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী’র চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছে। বিক্রির দিক থেকে অন্যাবারের মতো এবারও সবচেয়ে এগিয়ে আছে উপন্যাস, ঠিক এরপরেই বেশি বিক্রি হচ্ছে-ছোটগল্প। সুতরাং এটা বলা যায়, বিগত কয়েক বছরের মতো এবারের এই গ্রন্থমেলায় বই প্রকাশের দিক থেকে এখন পর্যন্ত যেমন দ্বিতীয় অবস্থানে আছে তেমনই বিক্রির দিক থেকেও আছে দ্বিতীয় অবস্থানে।

প্রকাশকরা আরও বলছেন, নতুন গল্পকারদের বইয়ের চেয়ে পুরনো ও জনপ্রিয় লেখকদের গল্পের বই বেশি বিক্রি হচ্ছে। তাদের ভাষায়, গল্পের বই এবার তেমন ভালো যাচ্ছে না। তবে, বিগত কয়েকবছরের মতো এবারও উপন্যাসের পরেই গল্পের বই বেশি বিক্রি হচ্ছে; যার অধিকাংশই চিরন্তন সব লেখকদের বই। আর এই উপন্যাস বিক্রির দৌড়ে এবারও এগিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বনফুল-সহ দেশের চিরন্তন সব সাহিত্যিকরা।

Loading...