এখনো দুই লাশের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি : সিআইডি

৪:৫৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, মার্চ ১২, ২০১৯ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা :: পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনো দুই লাশের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি শেখ হিমায়েত হোসেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সিআইডি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, চুড়িহাট্টায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আজ আরো পাঁচটি লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৬টি লাশের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। শনাক্ত হওয়া প্রথম লাশটি হাজি ইসমাইলের। তার বাবা মোহাম্মদ সোহরাব হোসেনের সঙ্গে তার ডিএনএ মিলেছে। দ্বিতীয় লাশটি ফয়সাল সারোয়ারের, তৃতীয়টি রেনুমা তাবাসসুম দোলা, চতুর্থ মোস্তফা এবং পঞ্চমটি মোহাম্মদ জাফরের।

তবে এখনো দুটি লাশ ও তিনটি পরিবারের ডিএনএ নমুনা তাদের কাছে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দুই লাশের সঙ্গে এই ৩ পরিবারের কারও ডিএনএ নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। এগুলো মর্গে রাখা হবে। কেউ লাশগুলোর দাবি করলে তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে মেলানো হবে।

সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, লাশ শনাক্তের কাজটি দুরূহ ও সময়সাপেক্ষ ছিল। আমরা ঘটনা ঘটার সাথে সাথে দুইটি ক্রাইম সিন ইউনিট সেখানে পাঠাই এবং আলামত সংগ্রহ করি। এছাড়াও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর অন্যান্য রুটিন কাজ বাদ দিয়ে পরিচয় শনাক্তের কাজটিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে করেছি।

এর আগে গত ৬ মার্চ ১১ জনের মরদেহ শনাক্ত করে সিআইডি। তারা হচ্ছেন ফাতেমাতুজ জোহরা, সালেহ আহমেদ, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, এনামুল হক, তানজীল হাসান, নাসরিন জাহান, শাহীন আহমেদ, হাসান উল্লাহ, দুলাল কর্মকার, নুরুজ্জামান ও নুরুল হক।

২০ ফেব্রুয়ারি রাতে পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টার ৬৪ নম্বর ওয়াহেদ ম্যানশনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিট দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় মোট ৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছে বলে জানায় ঢাকা জেলা প্রশাসন। পরে আহত ও দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন চারজন মারা যান।

২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ এলাকায় স্বজন দাবিদারদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডি।