নেতৃত্বের বিকাশের জন্য ছাত্র সংসদের বিকল্প নেই : তথ্যমন্ত্রী

সময়ের কণ্ঠস্বর :: তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বলেছেন, নেতৃত্বের বিকাশের জন্য ছাত্র সংসদের কোনো বিকল্প নেই। আমি আজকে এ অবস্থায় আসতে পারতাম না যদি, স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা না থাকতো। এসব পর্যায় নেতৃত্ব বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এসময় তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও যেনো কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় এই আশা ব্যক্ত করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী ও একই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ড. হাছান মাহমুদ।

ডাকসু নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডাকসু নির্বাচন যারা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলো, তারাও-তো ভিপিসহ অন্যান্য পদে জিতেছে। আমার প্রশ্ন, ডাকসুর নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয়, তাহলে তারা জিতলো কীভাবে?

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের রফতানি আয় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার আর পাকিস্তানের ২৪ বিলিয়ন, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় প্রায় ১ হাজার ৮০০ ডলার আর পাকিস্তানের ১ হাজার ৬৪০ ডলার। বাংলাদেশের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৮ বছর সেখানে পাকিস্তানে ৬৮ বছর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব সূচকে পাকিস্তান থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

চবির সাবেক এই শিক্ষার্থী আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে শিক্ষা-গবেষণার একটি পরিপূর্ণ বিদ্যাপীঠ। শিক্ষা গ্রহণের
পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থীকে দেশাত্মবোধ, মমত্ববোধ ও মূল্যবোধ অর্জন করে পরিপূর্ণ আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

উদ্বোধকের বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ হাটি হাটি পা পা করে দীর্ঘ ৫০ বছর অতিক্রম করেছে। শুরু থেকে এ বিভাগে বহু জ্ঞানী-গুণী পণ্ডিত শিক্ষক-গবেষকবৃন্দ তাদের মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সৎ, দক্ষ, যোগ্য ও বিজ্ঞান মনস্ক আলোকিত মানবসম্পদ উৎপাদন করে চলেছে।

তিনি বলেন, এ বিভাগের প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থীবৃন্দ দেশ-বিদেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উচুপদে অধিষ্ঠিত থেকে তাদের লব্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন- অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সাবেক মুখ্য সচিব মো. আবদুল করিম ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সফিউল আলম।

Sharing is.

Share on facebook
Share with others
Share on google
Share On Google+
Share on twitter
Share On Twitter
  • You May Also Like:
  • Top Views