বাম-ডান মিলেও ডাকসুতে ছাত্রলীগকে হারাতে পারেনি : তথ্যমন্ত্রী

৩:৪০ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, মার্চ ১৫, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, চট্টগ্রাম :: বাম-ডান মিলেও ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগকে হারাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম শহরের জিমনেসিয়াম মাঠে দুইদিনের বীমা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ডাকসু নির্বাচনে তারা বাম-ডান সবাই মিলে চেষ্টা করেছিল ছাত্রলীগকে হটিয়ে দেয়ার জন্য। কিন্তু বাম-ডান সবাই একত্রিত হয়েও ছাত্রলীগকে হারাতে পারেনি। যারা বামপন্থী সংগঠন করে তাদের প্রতি আমি যথেষ্ট সম্মান ও শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই।

২৮ বছর পর ডাকসুতে নির্বাচন অনুষ্ঠানকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু ভুলত্রুটি সেখানে হয়েছে। সেটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে। তারা তদন্ত করছে। দুয়েকটি হলে যারা কারচুপির অভিযোগ করেছেন, তারাই বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তারা সেখানে কিভাবে বেশি ভোট পেলেন? যারা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারাই যেখানে বিজয়ী হয়েছেন এতে প্রমাণিত হয় সার্বিকভাবে ভালো নির্বাচন হয়েছে।

নব নির্বাচিত ডাকসু নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, অনুরোধ জানাব যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা ছাত্রদের রায়ের প্রতি সম্মান রেখে তাদের কার্যক্রম চালাবেন।

তিনি বলেন, আর এই নির্বাচন নিয়ে যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চেষ্টা করছে সেই বিএনপি কিংবা ঐক্যফ্রন্ট। তাদের তো নির্বাচনের মধ্যে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ছাত্রদল কত ভোট পেয়েছে সেটি বলতেও তারা লজ্জা পাচ্ছে।

সম্প্রতি বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন বিষয়ে বিএনপির নেতা রহুল কবীর রিজভীর দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য জানতে চান এক সাংবাদিক।

এর উত্তরে জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে। তিনি কোনো রাজবন্দী নন। তার মুক্তির একমাত্র পথ আদালতের মাধ্যমে। অন্য কোনো সুযোগ নেই। বিএনপি সাময়কিভাবে ধ্বংসাত্মক রাজনীতিতে বিরতি দিলেও তারা সে পথ থেকে সরে আসেনি। সুযোগ পেলে বাংলাদেশের জনগণের ওপর তারা জ্বালাও পোড়াও এবং আগুন সন্ত্রাস চাপিয়ে দিবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো: শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, জীবন বীমা করপোরেশন চেয়ারম্যান সেলিমা আফরোজ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য গোকুল চাঁদ দাস প্রমুখ।