যুদ্ধের জন্য অত্যাধুনিক ‘পকেট ড্রোন’ বানিয়ে বিশ্বব্যপী হইচই ফেলে দিল আমেরিকা!

১১:১০ অপরাহ্ণ | বুধবার, মার্চ ২০, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: গত কয়েক বছরে বিশ্বের সমস্ত দেশেই যেন যুদ্ধাস্ত্র কেনার ধুম পড়ে গেছে। যুদ্ধ-বিগ্রহের প্রস্তুতি, অস্ত্রাগার বাড়িয়ে তোলা আর বিধ্বংসী প্রযুক্তির উদ্ভাবনে বিভিন্ন রাষ্ট্রের উত্‍সাহ চোখে পড়ার মতো।

বিগত কয়েক বছর ধরেই এই খরচের প্রশ্নে অনেক এগিয়ে আমেরিকা। সেই সামরিক ভাণ্ডারে এবার নতুন প্রযুক্তির ড্রোন যোগ করল ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। মার্কিন সেনাদের জন্য তৈরি নতুন এই ড্রোন কোনও ব্যক্তির পকেটে ফিট হয়ে যাবে। এমনকি হাতের তালুতেও লুকিয়ে রাখা যাবে ড্রোনটি। যুদ্ধক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে প্রায় ১.২ মাইল বা ২ কিলোমিটার (প্রায়) পর্যন্ত নজর রাখতে সক্ষম এই ড্রোন।

ড্রোনের মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর গতিবিধির লাইভ স্টেটাসের পাশাপাশি এইচডি ছবি-ভিডিও দেখা যাবে। অভিনব এই ড্রোনের নাম ‘দ্য ব্ল্যাক হরনেট পার্সোনাল রিকনিসেন্স সিস্টেম।

সম্প্রতি মার্কিন সেনার তরফে এফএলআইআর সিস্টেমস সংস্থাকে এই ড্রোন নির্মাণে ৩৯.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়া হয়। সংস্থার সাম্প্রতিক সাংবাদিক বৈঠকে এই ড্রোন সম্পর্কে তথ্য মিলেছে।

বিশেষ এই ড্রোনগুলি মাত্র ৬.৬ ইঞ্চি লম্বা এবং ওজনে ৩০ গ্রামের কাছাকাছি। এই ‘ন্যানো আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল (UAV)’ সিস্টেমের ড্রোনটি বেল্টে বা পকেটে লুকিয়ে রাখতে পারবেন জওয়ান বা ম্যারিনরা।

দিন অথবা রাত, প্রায় ২ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকায় লুকিয়ে নজরদারিতে সক্ষম এই ড্রোন। প্রতি সেকেন্ডে ২০ পা-এর মত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে সামরিক ড্রোনের এই নতুন ধরন। শত্রু শিবিরে পৌঁছে নীরবেই ভিডিও এবং ছবির মাধ্যমে তথ্য জোগাড় করায় সক্ষম এই ড্রোন।স্বাভাবিক ভাবেই মার্কিন সেনার দেখাদেখি ন্যানো ড্রোনের প্রতি আগ্রহ বাড়বে অন্য দেশগুলির। বিশেষত, রাশিয়া, ব্রিটেন, জাপান, চীনের মতো দেশগুলির নজর কাড়বে এই ড্রোন।