সংবাদ শিরোনাম
গাজীপুরে দীর্ঘ সময় মর্গে লাশ ফেলে রাখার অভিযোগে হামলা এবং ভাংচুর, আটক-৩ | দুর্দান্ত খেলেও ভারতকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশ | বুয়েটে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ব্যানার থেকে মুছে ফেলা হলো ছাত্রলীগের নাম | ভারতের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ | ‘বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত’- কাদের | বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সাবেক ৭ এমডিসহ ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা | সাভার থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের এক সদস্য আটক | পাবনায় ছেলের পাথরের আঘাতে বাবার মৃত্যু | বশেমুরবিপ্রবি’র প্রভোষ্ট ও বিভিন্ন অনুষদের চেয়ারম্যানসহ ৭ জনের পদত্যাগ | অবৈধ স্থাপনা সরাতে সাবেক সাংসদ উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ৪ জনকে নোটিশ |
  • আজ ১লা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকের চোখের জাদুতে ঘায়েল সোশ্যাল মিডিয়া

১২:৩৩ অপরাহ্ণ | বুধবার, মার্চ ২৭, ২০১৯ ইন্টারনেট রঙ্গ

ইন্টারনেট রঙ্গ- সোশ্যাল মিডিয়া এক আজব জায়গা। এটা কখন যে কোন মানুষকে বিখ্যাত করে তা বোঝা সত্যিই মুশকিল। এবার মালয়েশিয়ায় কর্মরত এই বাংলাদেশি যুবুকের একটি সাধারণ পোর্ট্রেটই তাকে করে তুলেছে অসামান্য।

বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিকের একটি ছবি নিয়ে ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন ওই শ্রমিকের ছবিটি দেখার জন্য। তাঁর বিস্ময়কর চাহনি, মুখের গড়ন আর চোখের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইন্টারনেট দুনিয়া।

গত ২১ মার্চ আবেদেন মুং নামে এক মালয়েশীয় ফটোগ্রাফার ছবিটি প্রথম পোস্ট করেন। এরপর রাতারাতি বিখ্যাত হন বাংলাদশের ওই শ্রমিক। তার তীক্ষ্ণ চাহনিতে মজেছে সোশ্যাল মিডিয়া, তার রূপালি চোখের জাদুতে ঘায়েল নেটিজেনরা। ইতিমধ্যেই ছবিটি প্রায় ৬৯ হাজার লাইক পেয়েছে ৷ রিটুইট হয়েছে প্রায় ২৫ হাজারেরও বেশি সময় ৷

বাংলাদেশি ওই প্রবাসীকে নিয়ে তুমুল হইচই আর আলোচনার ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে মালয়েশিয়ার স্টার অনলাইনে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রমিকের চোখ আর বিস্ময়কর চাহনির প্রশংসায় মেতেছেন মালয়েশিয়ানরা। তারা বলছেন- ছবিটি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ব্যবহারের উপযুক্ত।

বাংলাদেশি ওই প্রবাসী শ্রমিকের নাম জানা না গেলেও অনেকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ব্যবহৃত ছবিগুলোর সঙ্গে তার তুলনা করেছেন।

কী আছে ওই বাংলাদেশি শ্রমিকের চোখে! দেশটির নেটজনতার কেউ কেউ বলছেন- তার রূপালী চোখ আর বিস্ময়কর চাহনিতে রয়েছে এক অসামান্য দৃঢ়চিত্তের মনোবল।

এ বিষয়ে আবেদেন মুং বলেছেন, ‘আমি সেখানে কাজ করছিলাম। ঠিক তখনই তাকে দেখতে পাই। কিন্তু ওই সময় আমি অন্য একটি ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করছিলাম বলে তার ছবি নেওয়ার সুযোগ পাইনি। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে সেই একই স্থানে পেয়ে গেলাম। ফলে দ্রুততার সঙ্গে ছবিগুলো তুলে ফেলি।

‘আমি জানতাম, এটা খুব ভালো একটা শর্ট হতে যাচ্ছে। সেখানকার আলো ছবিটি তোলার জন্য খুবই চমৎকার ছিল। আর তার পোশাকও ভালো ছিল। মোট কথা, তার চোখ ছিল ফটোগ্রাফির জন্য সেরা চোখ।’

বাংলাদেশি ওই প্রবাসী সম্পর্কে মুং টুইটে আরো লিখেছেন, ‘তিনি ছিলেন অত্যন্ত লাজুক। বাস্তবেই তিনি জানেন না কোনদিকে তাকাতে হবে। এটা এজন্য হতে পারে যে, আমি ফোনে তার ছবি তুলছিলাম। আমি অনেকবার তাকে ক্যামেরার দিকে আনার চেষ্টা করলাম এবং বেশকিছু ছবি তুললাম। কিন্তু সেগুলো যথেষ্ট ভালো ছিল না। অনেকক্ষণ চেষ্টা করে তবেই আমি চূড়ান্তভাবে এই ছবিটি তুলতে পেরেছি।’