সংবাদ শিরোনাম
‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট বিক্রি করতেন তারা! | করোনায় শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ | মির্জাপুরে ২৩ দিন পর করোনা যুদ্ধে জয়ী হলেন প্রেসক্লাব সভাপতি জাহাঙ্গীর | শূন্যরেখার কাছে মিয়ানমারের গুলিবর্ষণ, বিজিবির প্রতিবাদ | ঝিনাইদহে নবম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা | টাঙ্গাইলে গুলি করে ৫০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ে জড়িত ছাত্রলীগ-যুবলীগ | রূপগঞ্জে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ২৯, উপজেলায় মোট ৫২৫ | প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করার অভিযোগে মানিকগঞ্জে এক নারী কারাগারে | ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি, মানিকগঞ্জে নারী গ্রেফতার | নড়াইলে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি চেয়ারম্যান কায়েস গ্রেফতার |
  • আজ ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে অনলাইনে ১৮শ টাকার ঘড়ি অর্ডার করে পেলেন পেঁয়াজ

৭:৪৮ অপরাহ্ণ | বুধবার, এপ্রিল ৩, ২০১৯ চট্টগ্রাম

মু.ওয়াছীঊদ্দিন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: দিনভর ছোটাছুটি, সময়ের বড়ই অভাব। তাই ঘরেই বসে যদি পছন্দের কিংবা প্রয়োজনীয় জিনিসটি ক্রয় করা যায় তাহলে মন্দ কি? শহর থেকে শুরু করে সর্বত্রই বাড়ছে এ রেওয়াজটি। এ সুবাধে প্রতিনিয়ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অনলাইনে কেনাকাটা। সেই সুযোগে একটি চক্র গ্রাহকদের সঙ্গে করছে প্রতারণা।

অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে অনেক সাধারণ গ্রাহক পণ্য কিনে বিভিন্নভাবে এই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে চাহিদা অনুযায়ী সঠিক পণ্য সরবরাহ না করা এবং করলেও নিম্মমানের পণ্যর সরবরাহ করার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। এমনই একটি প্রতারণার শিকার হয়েছেন লক্ষ্মীপুরের পিয়াস সরকার নামে এক যুবক।

পিয়াস সরকার প্রতারণার শিকার হয়ে গতকাল রাতে সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। যার মামলা নং: ৮৫। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, গত সোমবার (১ এপ্রিল) ‘স্মার্ট সপ ঢাকা’ নামক একটি অনলাইন পেইজ থেকে একটি স্মার্ট ঘড়ি ক্রয় করেন। ঘড়িটি মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এস এ পরিবহন লক্ষ্মীপুর শাখা থেকে নগদ ১৮’শ টাকা দিয়ে গ্রহণ করেন। পরে ঘড়িটির প্যাকেট খুলে দেখতে পান ‘সেখানে ঘড়ি নেই, আছে দুইটি পেঁয়াজ’।

এ বিষয়ে পিয়াস বলেন, ঘড়ির বক্সটি গ্রহণের পর থেকেই ঐ অনলাইনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি পারেননি। পেইজটি বন্ধ দেখাচ্ছে। এদিকে তিনি বিষয়টি এস এ পরিবহন লক্ষ্মীপুর শাখাকে জানিয়েছেন। পাশাপাশি এই প্রতারক চক্রটিকে পুলিশে সৌপর্দ্দ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এস এ পরিবহন লক্ষ্মীপুর শাখা ম্যানেজার নুরুল আলম বলেন, অনলাইনে পণ্য ক্রয় করে একজন গ্রাহক প্রতারিত হয়েছেন বিষয়টি জেনেছি। পণ্যটির বক্স ও সাধারণ ডায়েরির একটি কপি এস এ পরিবহন মুল শাখায় পাঠানো হয়েছে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।