সংবাদ শিরোনাম
ব্যস্ত সময় পার করছেন সাভার ও আশুলিয়ার প্রতিমা শিল্পীরা | অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী | পরকীয়া প্রেমিক নাতির পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন দাদি! | মাগুরায় যুবলীগ নেতার পিতার উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন | শিক্ষা দিবসে ইবি ছাত্র ইউনিয়নের র্যালি | আট দিনের আন্দোলনেও সুরাহা মেলে নি বাকৃবি শিক্ষার্থীদের | প্রকল্পের পণ্য কিনতে দাম নির্ধারণে সর্তক হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | বাকৃবিতে জিটিআইয়ে কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী | নেত্রী পদে থাকতে বলেন থাকব, না বললে থাকব না: কাদের | প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে হবে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল |
  • আজ ২রা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জীবন বাঁচাতে জবাই নিরাপদ

১২:৫০ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, মে ৫, ২০১৯ জানা-অজানা

জানা-অজানা ডেস্ক :: গবেষকরা বলছেন, ভেষজ হিসেবে হিবিসকাস বা জবা ফুল সবদিক থেকে নিরাপদ। যে কোনও ব্লাড গ্রুপের যে কেউ-ই খেতে পারেন। সব থেকে বড় কথা শরীরে এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। চীনারা তো আছেনই, তাদের টেক্কা দিয়েছে নাইজেরীয়রা। শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে এক-একজন দিনে ২৫ কাপ করে শুধু জবার পানিতে চুমুক দেয়!

১. ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা কুল কুল :
ভেষজপ্রেমীদের জবা ফুল খাওয়ার রেওয়াজ নতুন নয়। শুধু ভারতীয় উপমহাদেশ কেন মিশর থেকে ইরান, আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ আমেরিকা অনেক দেশেই ভেষজ ওষুধ হিসেবে জবাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। গ্রীষ্মে নিজেকে শীতল রাখতে দিনে কয়েক কাপ জবার জল যথেষ্ট। কারণ, জবার মধ্যে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রয়েছে।

২. ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্টেরল কমাতে :
উচ্চ রক্তচাপের কারণে যাঁদের ওষুধ খেতে হয়, নিয়মিত তারা কয়েক কাপ করে জবাফুলের জল খান। প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আসবে। গবেষকরা জানাচ্ছেন, ফল পেতে দিনে তিন কাপ করে জবাফুলের জল অন্তত ছ-সপ্তাহ খেয়ে যেতে হবে। ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতেও জবার জুড়ি নেই। কার্ডিওভাসকুলার এবং সংবহনতন্ত্রের সমস্যাতেও উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্যে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের জন্যও এটা মহাষৌধ। গলা ধরলেও খেতে পারেন, কাজ দেবে।

৩. ব্লাড ক্যানসার দূরে রাখে :
হিবিসকাস বা জবা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এই ফুলের নির্যাসে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন লিউকেমিয়া আক্রান্ত কোষকে মেরে ফেলে।

৪. ফ্লু তাড়ায় :
২০১৬-র জুনে প্রকাশিত এক গবেষণায় জবাফুলের মধ্যে থাকা খুব শক্তিশালী অ্যান্টি-ভাইরাল এফেক্টের উল্লেখ করা হয়েছে। অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে জবাফুলের নির্যাস কার্যকরী ওষুধ।

৫. বিপাকক্রিয়ার হার বাড়ায় :
উদর স্ফীত হতে থাকলে বা শরীরে মেদ জমলে জবাফুলের জল নিয়মিত খেতে পারেন। কারণ, জবা বিপাকের গতি বাড়িয়ে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট নষ্ট করে। যাঁদের ফ্যাটি লিভার, নিশ্চিন্তে জবার জল পান করুন। উপকৃত হবেন। বিপাকীয় সিনড্রোমেও ভালো কার্যকরী।

প্রস্তুতি :
দু-ভাবে আপনি এই ইনফ্যুশন বানাতে পারেন। কয়েক’টা জবাফুল ভালো করে ধুয়ে, সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে সেই জলটা খেতে পারেন। অথবা সকালে গরম জলে পনেরো মিনিট জবাফুল ভিজিয়ে রেখে সেই জলটি খেয়ে নিতে পারেন।

জবার গুণ কিন্তু এখানেই শেষ নয়। যাঁদের যৌনশক্তি কমে এসেছে, যাঁদের মাথা থেকে থেকে চক্কর মারে, চলতে ফিরতে পায়ের পেশিতে টানা ধরে, জবার জল দিনে কয়েক বার খেয়ে ফেলুন। উপকার ধীরে ধীরে নিজেই বুঝবেন।