সংবাদ শিরোনাম
স্কুলছাত্রী প্রেমিকাকে বেড়াতে নিয়ে বন্ধুকে সাথে করে শিক্ষকের গণধর্ষণ! | আজ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২ ফ্লাইওভার ৪ আন্ডারপাস উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী | মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি রোধে নারী মেন্টর রাখার সিদ্ধান্ত | ‘নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে রাজনীতি করবে জাসদ’- ইনু | টাঙ্গাইলে পুলিশি অভিযানে এক ব্যক্তির মৃত্যু ! সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ | ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটাকে অনেক উচ্চতায় নিয়েছে’- কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক | ছাত্রলীগের নিজস্ব নিউজপোর্টালের যাত্রা শুরু | মোদি ও অমিত শাহকে অভিনন্দন জানালেন ড. কামাল | কার্ডিফে টাইগারদের জন্য খুদে ভক্তদের উন্মাদনা (ভিডিওসহ) | অনুশীলনের ফাঁকে মাহমুদউল্লাহর ইমামতিতে ‘জুমার নামাজ’ আদায় করলো টাইগাররা |
  • আজ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘রমজান মাসে রাজধানীতে গরুর মাংসের কেজি ৫২৫ টাকা’

৪:৫৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, মে ৬, ২০১৯ ঢাকা
khokon

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ডিএসসিসির নগর ভবনে মাংস ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন থেকে ২৬ রমজান পর্যন্ত রাজধানীতে মাংসের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ৭ মে থেকে রাজধানীতে দেশি গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫২৫ টাকা এবং বিদেশি বা বোল্ডার গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫০০ টাকা ও মহিষের মাংস ৪৮০ টাকা দরে বিক্রি করতে হবে। সেই সঙ্গে খাসির মাংস প্রতি কেজি ৭৫০টাকা এবং ভেড়া ও ছাগীর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ সময় মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, কোনো ব্যবসায়ী সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি না করে বেশি দামে বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, আমরা এর আগে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা জানিয়েছেন দ্রব্যমূল্য গত বছরের তুলনায় এবার কোনোভাবেই বাড়বে না, বরং কিছুটা হলেও কমবে। হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেছি। তারাও যাতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার রাখে সে জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজ (সোমবার) মাংসের দামও নির্ধারণ করা হল। এতে যেন কোনো অনিয়ম না হয় সেজন্য মঙ্গলবার থেকে ডিএসসিসির মনিটরিং টিম বাজার তদারকিতে নামবে।

এর আগে বৈঠকে মেয়রের কাছে মাংস ব্যবসায়ীরা নানা অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, গরুর মাংসের দাম বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ হল গাবতলী হাটের কতিপয় চাঁদাবাজের উৎপাত।

তাদের কারণে গরু প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পযর্ন্ত খাজনা দিতে হয়। তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা গেলে মাংসের দামও অনেক কমে যাবে। এতে জনগণ উপকৃত হবে। বৈঠকে মাংস ব্যবসায়ী এবং সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।