সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে আদালতে ডাকুন: বিচারপতিদের উদ্দেশে গয়েশ্বর

৫:২১ অপরাহ্ণ | সোমবার, মে ৬, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আদালতে ডাকার জন্য বিচার বিভাগ ও বিচারপতিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

সোমবার (৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত নাগরিক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিচার বিভাগ ও বিচারপতিদের উদ্দেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, একজন কারাবন্দিকে আজীবন কারাগারেই থাকতে হবে- এই হুমকি যখন প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রী দেন, তখন তাকে কী একটু আদালতে এনে জিজ্ঞেস করতে পারেন, আপনি এ সিদ্ধান্ত দেওয়ার কে? জিজ্ঞেস করতে পারেন? না, পারবেন না। বরং এমন হতে পারে, আগামীকাল আমাকে ডাকতে পারেন, আপনি প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এ কথা বললেন কেনো?

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে বসে বললেন, তারেককে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করবা। তা না হলে ওর মাকে আর জীবনেও মুক্তি দেওয়া হবে না। তার মানে আইন-আদালতের কারণে নয়, শেখ হাসিনার ইচ্ছায় খালেদা জিয়াকে সারাজীবন কারাগারে থাকতে হবে। এখন আমি যদি বলি আদালতের হাত-পা বাঁধা। আদালত সরকারের কথার বাইরে যেতে পারেন না। আমি এসব বলছি, এখন আমাকে ডাক দেবেন, বলবেন আপনি আদালতের অবমাননা করেছেন।

বিএনপির এ নেতা বলেন, পুলিশ নির্বাচনে কী করেছে, সেটা বলা যাবে না। বললে আবার আরেকটা অপরাধ হবে। সব কথা বলা দরকার, অথচ কোনো কথাই বলা যাবে না। এমন অবস্থার মধ্যে আমরা এই দেশে বসবাস করছি।

জননেত্রী পরিষদের সভাপতি (এবি সিদ্দিকী), তিনি প্রায়ই মামলা করেন উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, উনি মনে হয় অনেক শক্তিশালী লোক। তার করা দু’টি মামলায় এখনও নিম্ন আদালত থেকে খালেদা জিয়ার জামিন হয়নি। তিনি রোববার (০৫ মে) আবারও তারেক রহমান, মহাসচিবসহ আমাদের বিরুদ্ধে একটা ছিনতাই মামলা করেছেন। তার না-কি দুই হাজার ২০০ টাকা ছিনতাই হয়েছে। যারা ছিনতাই করেছে, তাদের তিনি চেনেন না। যারা নির্দেশ দিয়েছেন, তাদের চেনেন। যারা করেছে তাদেরই যদি না চেনেন, তাহলে যারা নির্দেশ দিয়েছেন তাদের কীভাবে চিনলেন। অর্থাৎ ওনাকে নেত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যাও বাবা একটা মামলা করো। উনি মামলা করে দিয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সমালোচনা দলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস কমায় উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমরা কারো বিরুদ্ধে সমালোচনা না করে নিজের আত্মসমালোচনা করে সংশোধনের মাধ্যমে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলি। এতে দল শক্তিশালী হবে, দলের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।’