সংবাদ শিরোনাম
বঙ্গবন্ধু-প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর: ফাইনের পর সুব্রত গ্রেপ্তার | হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের খোঁজ-খবর নিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ | পুরুষদের নানাভাবে নির্যাতন করছে নারীরা: হিরো আলম | রাহুল গান্ধীকে ঢুকতে দেয়া হয়নি কাশ্মীরে, বিমানবন্দর থেকেই ফেরত | রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করাই উত্তম: তাজুল ইসলাম | দিনে দুপুরে গুলশানের কমিউনিটি সেন্টারে ছাত্রলীগের হামলা (ভিডিও) | ৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী | ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১১, আহত ২৫ | বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর: ছাত্রলীগ নেতা ফাইন গ্রেফতার | মিরপুরে ফুটপাত দখল করে চলছে রমরমা বাণিজ্য |
  • আজ ৯ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অন্য জাতের ছেলেকে বিয়ে করায় মেয়ে-জামাইয়ের গায়ে আগুন দিল বাবা!

১২:৫৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, মে ৭, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: আবারও এক নৃশংস সম্মান বাঁচানোর নামে কিলিংয়ের সাক্ষী হল চিত বিচিত্রের দেশ ভারত। পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে নিজের মেয়ে ও জামাইকে পোড়ানোর অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সঙ্গী হিসেবে সে পেয়েছিল নিজের দুই ভাইকে। ঘটনায় দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত পলাতক।

ভালবাসা তখনই মধুর হয়ে ওঠে যখন তা স্থান-কাল-পাত্র বুঝে হয়। কিন্তু পান থেকে চুন খসলেই আর রক্ষা নেই। তেমনই ঘটনা ঘটল ভারতের মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের নিঘোজ গ্রামের দুই যুগলের সঙ্গে। আলাদা জাতে প্রেম। ২৩ বছরের মঙ্গেশ রনসিং এবং ১৯-এর রুক্মিণী প্রাপ্ত বয়স্ক। নিজেদের ইচ্ছাতেই তাই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু বাদ সাধে পরিবার। অগত্যা বাড়ির লোকের অমতেই মাস ছয়েক আগে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন তাঁরা। দিনমজুর মঙ্গেশ এবং চুক্তিতে কাজ করা রুক্মিণীর জীবন ঠিকঠাকভাবেই কেটে যাচ্ছিল।

কিন্তু মেয়ের বাড়ির লোকেরা তখনও রাগে ফুঁসছে। উপর উপর ক্ষমা করে দিলেও ভেতরের আগুন নেভেনি। পরিবারের সম্মান কেড়েছেন মেয়ে। তাঁকে তো আর সহজে ছেড়ে দেওয়া যায় না। তাই গত পয়লা মে দিনমজুর বাবা রাম ভারতীয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলে। স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ায় কিছু সময়ের জন্য বাপের বাড়িতে চলে এসেছিলেন রুক্মিণী। তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে সেখানে পৌঁছান মঙ্গেশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, সেই সুযোগকেই ব্যবহার করে দুই ভাই সুরেন্দ্র ভারতীয় এবং ঘনশ্যাম সরোজকে সঙ্গে নিয়ে ওই দম্পতির গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় মেয়ের বাবা। প্রতিবেশীরাই দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। যেখানে মৃত্যু হয় রুক্মিণীর। মৃত্যুর আগে নিজেই অভিযুক্ত হিসেবে বাবা ও দুই কাকার নাম উল্লেখ করে যান তিনি। এদিকে শরীরের ৪০ শতাংশ পুড়ে গেছে মঙ্গেশের। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি।

ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত বাবা। তবে দুই ভাইকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অ্যাসিসট্যান্ট পুলিশ ইন্সপেক্টর বিজয় কুমার বোটরে জানান, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ এবং ৩০৭ নম্বর ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।